রবিবার, ৬ জুন, ২০২১

স্বাস্থ্যবিধি মেনে হবে এসএসসি পরিক্ষা : শিক্ষাবোর্ড


 চলমান করোনা পরিস্থিতিতে সব কেন্দ্রে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ২০২১ সালের এসএসসি পরীক্ষা নেয়া হবে বলে জানিয়েছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড। ইতোমধ্যে পরীক্ষা নেয়ার প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। এজন্য পরীক্ষার নতুন কেন্দ্র স্থাপন ও কেন্দ্র পরিবর্তনের আবেদন গ্রহণ শুরু করেছে ঢাকা বোর্ড।

সোমবার (৭ জুন) বোর্ড থেকে এসএসসি পরীক্ষার নতুন কেন্দ্র স্থাপন ও কেন্দ্র পরিবর্তনের আবেদন আহ্বান করে জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে বোর্ড বলেছে, ২০২১ সালের এসএসসি পরীক্ষার জন্য তালিকাভুক্ত সব কেন্দ্রকে কোভিড স্বাস্থ্যবিধি মেনে পরীক্ষা নিতে হবে।

এদিকে কয়েকমাস আগে এসএসসি পরীক্ষার সংক্ষিপ্ত সিলেবাস প্রকাশ করা হয়েছে। সিলেবাস প্রকাশের পর শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছিলেন, ‘পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার পর ৮৪দিন ক্লাস করিয়ে পরীক্ষা নেয়া হবে।’

এ পরিস্থিতি গত ১ জুন থেকে এসএসসি’র নতুন কেন্দ্র স্থাপন ও কেন্দ্র পরিবর্তনের আবেদন গ্রহণ শুরু করেছে ঢাকা বোর্ড। আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত নতুন কেন্দ্র স্থাপন ও কেন্দ্র পরিবর্তনের আবেদন গ্রহণ চলবে। নন-এমপিও কোনো প্রতিষ্ঠান বা ভাড়া করা ভবনে পরিচালিত প্রতিষ্ঠানগুলোকে নতুন কেন্দ্রের আবেদন না করতে বলেছে বোর্ড।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০২১ সালের এসএসসি পরীক্ষার জন্য নতুন কেন্দ্র স্থাপন এবং কেন্দ্র পরিবর্তনের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ আগামী ৩০ জুনের মধ্যে বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক বরাবর আবেদন করতে হবে। এ আবেদন প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব প্যাডে করতে হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, নতুন কেন্দ্রের জন্য আবেদন বাবদ ৩ হাজার টাকা (অফেরতযোগ্য) এবং কেন্দ্র পরিবর্তনের ক্ষেত্রে ১ হাজার টাকা (অফেরতযোগ্য) ফি সোনালী ব্যাংকের মাধ্যমে জমা দিতে হবে। ফি জমা দেয়ার স্লিপ আদেনপত্রের সঙ্গে জমা দিতে হবে।

জানা গেছে, ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে নতুন কেন্দ্র অথবা কেন্দ্র পরিবর্তনের নির্ধারিত ছক ডাউনলোড করে পূরণকৃত ছক আবেদনপত্রের সঙ্গে জমা দিতে হবে। প্রস্তাবিত কেন্দ্রটি বোর্ডের অনুমোদন পেলে পার্শ্ববর্তী যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এই কেন্দ্রে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে ইচ্ছুক, সেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানদের নিজস্ব প্যাডে সম্ভাব্য পরীক্ষার্থীদের সংখ্যা উল্লেখ করে সুস্পষ্ট ঘোষণাসহ সম্মতিপত্রের মূলকপি আবেদনপত্রের সঙ্গে যুক্ত করতে হবে।

সৌজন্যে জাগোনিউজ

এমএইচএম/এমএইচআর/এমকেএইচ

রবিবার, ৩০ মে, ২০২১

দেশে ভারতীয়সহ ১৪০টি ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত।


 দেশে করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউ চলছে। গত কয়েক মাস ধরে করোনার নমুনা পরীক্ষা অনুযায়ী শনাক্তের হার ১০ দশমিক ১১ শতাংশের ওপরে থাকছে। আর শনাক্তের সংখ্যা দৈনিক হাজারের ওপরে। এমতাবস্থায় করোনাভাইরাসের ভ্যারিয়েন্ট (ধরন) নিয়ে নতুন তথ্য দিয়েছে সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর)।


রোববার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে আইইডিসিআর- এর পরিচালক অধ্যাপক ডা. তাহমিনা শিরীন গণমাধ্যমকে বলেন, দেশে নতুন নতুন করোনাভাইরাসের ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত হচ্ছে। দেশে এ যাবৎ ২৬৩টি সিকোয়েন্স করা হয়েছে। তার মধ্যে এখন পর্যন্ত ২৭টি ইউকে ভ্যারিয়েন্ট, ৮৫টি সাউথ আফ্রিকান ভ্যারিয়েন্ট, পাঁচটি নাইজেরিয়ান ভ্যারিয়েন্ট এবং ২৩টি ইন্ডিয়ার ভ্যারিয়েন্ট মিলেছে।

তবে এই ভ্যারিয়েন্ট নতুন কোনো বিষয় না মন্তব্য করে তিনি বলেন, যত রোগী শনাক্ত হবে, সংক্রমণ হবে, নতুন নতুন ভ্যারিয়েন্ট পাওয়া যাবে। সুতরাং ভ্যারিয়েন্ট যা-ই হোক না কেন, আমাদের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। যার যখন সময় আসবে, তাকে টিকা নিতে হবে। এভাবে আমরা সংক্রমণ কমাতে পারব। করোনা মহামারি নিয়ন্ত্রণে আনতে পারব।

তিনি আরও বলেন, এটা আমের মৌসুম। আম পচনশীলও। অনেক পরিবার আমের বাণিজ্যের ওপর নির্ভরশীল। তাই এই মৌসুমে আম কেনা-বেচা করতে হবে। সেক্ষেত্রে পরামর্শ থাকবে, স্বাস্থ্যবিধি মেনে বাগান থেকে আম কেনা-বেচা নিশ্চিত করতে হবে। বাজারজাত করার ক্ষেত্রে স্বল্প পরিসরে খোলা জায়গায় বিক্রি করতে হবে। অনলাইন শপিংয়ে মাধ্যমে আম কেনা-বেচা নিশ্চিত করতে হবে।



সৌজন্যে : যুগান্তর
সিলেটভিউ২৪ডটকম/ডেস্ক/জিএসি-৩৬

রবিবার, ২৩ মে, ২০২১

কানাইঘাটে নদী ভাঙ্গনে শেষ ভিটে মাটি হারিয়ে নিস্ব: অসহায় মুজিবুর রহমান ও কয়েক পরিবার




উপজেলার ০৬ নং কানাইঘাট সদর ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের সুরমা নদী ঘেঁষে "ভাটিদিহি' গ্রাম।। 

এ গ্রামে বসবাস করছেন প্রায় তিন হাজারেরও বেশী নারী পুরুষ। ঐতিহ্যে লালিত এ গ্রামে শতবর্ষী প্রাথমিক বিদ্যালয় সহ আছে একটি ঐতিহ্যবাহী একটি মাদরাসা ও বাজার । 

এ গ্রামের কীর্তিমান অনেকেই স্কুল-কলেজ ও মাদরাসা সমুহের শিক্ষকতা মহান পেশায় জড়িয়ে দেশের শিক্ষিতদের হার বাড়াচ্ছেন। 

দেশ বিদেশে এ গ্রামের অনেক কৃর্তি মান কর্ম জীবনে নিজ নিজ পদ মর্যাদায় সুনামের সাথে দেশের রেমিটেন্স বাড়াতে দেশ কে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন।

 

দু:খজনক হলেও সত্য যে ঘাতক সুরমা নদী এ গ্রাম টি ভাঙ্গনের কবলে পড়ে দিন দিন মানচিত্র থেকে বিলীন হচ্ছে।ইতিমধ্যে দিন মজুর মুজিবুর রহমান ও নূর উদ্দিনে'র ভিটে মাটি সুরমা নদীর গর্ভে চলে গেছে।

দিন দিন নদী ভাঙ্গনের হার বেড়েই চলছে। গত কয়েক দিন থেকে আকস্মিক ভাঙ্গনের মুখে পড়ে আব্দুল জলিলের বসবাসের শেষ ভিটা মাটি কাচা পাকা ঘর সহ অবশিষ্ট আঙ্গিনা। ঘাতক সুরমা নদীর ভাঙ্গন থেকে রক্ষা করতে পারেন নি তার শেষ সম্বল ভিটে মাটি।


৬ নং কানাইঘাট সদর ইউ/পির চেয়ারম্যান মামুনুর রশীদ মামুন সহ দেশ বিদেশে অবস্হানরত বিত্তবান ব্যক্তি, উপজেলার সমাজ সেবক রাজনীতিবীদ, স্হানীয় বন্যা দুর্যোগ মন্ত্রনালয়,নির্বাহী কর্মকর্তাদের নদী ভাঙ্গনের কবল থেকে রক্ষা করতে সরেজমিন পরিদর্শন করে ভুমিহীন ক্ষতিগ্রস্হ অসহায় পরিবারের পাশে মানবিক কারনে পাশে দাঁড়ানোর অনুরুধ করছি।


মুসলিম আহমদ নাসিম/কানাইঘাটের কথা

ওবায়দুল কাদের খুব ভালো মানুষ ঃ ফখরুল


সিলেটভিউ ডেস্ক :: আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের খুব ভালো মানুষ বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক খুব ভালো মানুষ। কিন্তু আওয়ামী লীগ নেতারা দুঃস্বপ্ন দেখছেন। তাকে বলবো দয়া করে সব সময় দুঃস্বপ্ন দেখবেন না। দুঃস্বপ্ন না দেখার উপায় আছে। ভালোবাসা সৃষ্টি করুন নিজেদের মধ্যে। অত্যাচারের পথ ছেড়ে দিন। সঠিক গণতান্ত্রিক উপায়ে দেশ পরিচালনা করুন। দেখবেন দুঃস্বপ্ন দেখছেন না।

রোববার (২৩ মে) দুপুরে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে ওবায়দুল কাদের এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, আপনাদের এতো ভয় কেন? কারণ আপনাদের পায়ের নিচে মাটি নেই। আপনারা এখন সামরিক-বেসামরিক আমলাদের নিয়ে দেশ চালাচ্ছেন। গোয়েন্দাদের সব সময় লাগিয়ে দেয়া হয় সাংবাদিকদের পেছনে।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, করোনাভাইরাসের টিকা সংগ্রহে সরকার শুরু থেকেই দুর্নীতি, অযোগ্যতার কারণে ব্যর্থতার পরিচয় দিচ্ছে। ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউটের কাছ থেকে চুক্তিকৃত টিকা না পাওয়ায় এবং অন্যান্য উৎসগুলোর সঙ্গে চুক্তি না করায় টিকাপ্রাপ্তি একেবারেই অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। জনগণের জীবন বিপন্ন হয়ে পড়ছে। রাশিয়া ও চীন থেকে টিকাপ্রাপ্তিও স্বাস্থ্যমন্ত্রণালয়ের বিলম্ব ও অযোগ্যতার কারণে অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। খোদ পররাষ্ট্রমন্ত্রী স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে এ জন্য দায়ী করেছেন।

তিনি বলেন, আমরা করোনা আক্রমণের শুরু থেকেই বিকল্প উৎস সন্ধান এবং যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের কথা বলেছিলাম। ভারতের করোনা পরিস্থিতি ভয়াবহভাবে খারাপ হওয়া এবং ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের মহামারি আকার ধারণ করায় জনগণের মধ্যে প্রচণ্ড হতাশা ও ভীতির সৃষ্টি হয়েছে। অবিলম্বে এই বিষয়গুলোর বিস্তারিত ব্যাখ্যা এবং টিকাপ্রাপ্তির রোডম্যাপ জনগণের সামনে তুলে ধরার আহ্বান জানাচ্ছি। সংক্রমণ প্রতিরোধ ও চিকিৎসা ব্যবস্থায় ব্যর্থতার কারণে সরকারের এখনই পদত্যাগ করা উচিত। টিকাপ্রাপ্তি সংক্রান্ত বিষয়টির সকল দায় সরকারকেই নিতে হবে।



সৌজন্যে : পূর্বপশ্চিমবিডি
সিলেটভিউ২৪ডটকম/ডেস্ক/ জিএসি-২৩

শুক্রবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২১

গণপরিবহন চালুর সিন্ধান্ত।


 

করোনার ঊর্ধ্বমুখী সংক্রমণ রোধে ‘সর্বাত্মক লকডাউন’ চললেও রবিবার থেকে শপিংমল, মার্কেট খোলার অনুমতি দিয়েছে সরকার। এবার গণপরিবহণ চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো।আগামী ২৯ এপ্রিল থেকে গণপরিবহন চলবে বলে সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব শেখ ইউসুফ হারুণ।

এর আগে শুক্রবার (২৩ এপ্রিল) শপিংমল, মার্কেট খোলার নির্দেশনা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারির পর স্বাস্থ্যবিধি মেনে গণপরিবহন চালুর দাবি জানান মালিকরা। দূরপাল্লার বাসও চালাতে চান তাঁরা।

গত ৩০ মার্চ থেকে অর্ধেক আসন খালি রেখে ৬০ শতাংশ বাড়তি ভাড়ায় যাত্রী পরিবহন শুরু করে গণপরিবহন। ৫ এপ্রিল লকডাউন শুরুর পর গণপরিবহন চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়। লকডাউনের আওতামুক্ত প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের যাতায়াতে ৭ এপ্রিল থেকে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের সব সিটি করপোরেশন এলাকায় সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত গণপরিবহন চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয়। তবে বন্ধ রাখা হয় দূরপাল্লার বাস, ট্রেন ও লঞ্চ।

১৪ এপ্রিল ‘সর্বাত্মক লকডাউন’ শুরু হলে সিটি করপোরেশন এলাকায়ও গণপরিবহন বন্ধ করে দেওয়া হয়।

আটদিনের জন্য জারি করা সর্বাত্মক লকডাউন ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত বেড়েছে। তবে নানা বিধিনিষেধ শিথিল করে ধীরে ধীরে বিভিন্ন সেবা চালু করা হচ্ছে। এ সুযোগ চান পরিবহন মালিকরাও।

বিভি/এমএস

যে গ্রামের ঘরেই নেই কোন দরজা! ব্যাংকেও নেই কোন তালা

 

ভারতের মহারাষ্ট্রের নাভাসা জেলার একটি গ্রাম এখন খবরের শিরোনামে। আহমেদনগর থেকে গ্রামটি ৩৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। গ্রামটির নাম শিংনাপুর। অনেকে মজা করে একে সিঙ্গাপুরও বলে।  
গ্রামটিতে অবস্থিত শনি মন্দিরের দেবতার নামানুসারেই রাখা হয়েছে এর নাম। ওই মন্দিরের কারণেই গ্রামটি আশপাশের এলাকায় সুপরিচিত।
তবে তার থেকেও যে বিস্ময়ের কারণে গ্রামটি খবরের শিরোনাম, তা হচ্ছে- দুই শতাধিক বসতবাড়ির এই গ্রামটিতে নেই কোনো প্রবেশ দরজা।

চাইলে দিন-রাত ২৪ ঘণ্টাই যে কেউ যে কারও ঘরে প্রবেশ করতে পারবে। সব বাসিন্দার ঘরের দরজা খোলা থাকে। খোলা থাকে মানে, কারোর বাড়িতেই নেই প্রবেশের দরজা। এ কারণে চাইলেও দরজা বন্ধ করার সুযোগ নেই।
কেবল একটি ঘরের দরজা রয়েছে সেখানে, সেটি হচ্ছে- ওই গ্রামে অবস্থিত একটি ব্যাংকের। দরজা থাকলেও তাতে অবশ্য কোনো তালা ঝোলানো নেই। চাইলে যে কেউ কারও অলক্ষ্যে প্রবেশ করতে পারবে ভেতরে।
জানা গেছে, ২০১১ সালে ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত একটি ব্যাংকের শাখা খোলা হয় সেখানে। ব্যাংক খোলার পরিকল্পনার সময় গ্রামবাসীর সঙ্গে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ আলোচনার করে স্থির করে যে, ব্যাংকের দরজা থাকলেও তা হবে স্বচ্ছ গ্লাসের আর থাকবে না কোনো তালা।
ঘরবাড়ি নির্মাণের ক্ষমতা থাকলেও দরজা বানানোর কি সামর্থ্য নেই সিঙ্গাপুরের গ্রামবাসীর? এ কেমন রহস্য?
আসলে গ্রামটিতে প্রচলিত ৩০০ বছর এক লোককথাকে বিশ্বাস করেই ঘরে দরজা লাগান না তারা।
প্রচলিত আছে- প্রায় ৩০০ বছর আগে গ্রামটিতে একবার প্রচণ্ড বৃষ্টি ও বন্যা হয়। বন্যা শেষ হলে গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া পানাশালা নদীর তীর থেকে উদ্ধার হয় বিশালাকৃতির কালো রঙের একটি পাথর।
এক রাখাল তার হাতের লাঠি দিয়ে পাথরটিকে স্পর্শ করতেই সেটি থেকে নাকি অঝোর ধারায় রক্ত বইতে শুরু করে। গ্রামের সব মানুষ ভয়ে দিশেহারা হয়ে দিগ্বিদিক ছুটতে শুরু করে। তারপর হঠাৎ করেই কোনো এক অদৃশ্য শক্তির প্রভাবে সবাই নাকি ঘুমিয়ে পড়ে।
সবাই যখন গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন ছিল, তখন সবাইকে স্বপ্নে দেখা দেয় শনি দেবতা। সবাইকে তিনি জানান যে, এই মূর্তি তারই প্রতিমূর্তি। যদি তারা ঠিকভাবে তার উপাসনা করে তা হলে সবার মুক্তি ও নিরাপত্তা দেবেন ঈশ্বর। নইলে এই রক্তের ধারা বন্ধ হবে না।
তার উপাসনার জন্যে দুটি শর্তজুড়ে দেন। প্রথমত এই গ্রামের কোনো জায়গায় পবিত্র মূর্তিটিকে রাখতে হবে। দ্বিতীয়ত গ্রামের কেউ তাদের ঘরের দরজা কখনই বন্ধ করতে পারবে না। সেই থেকেই এমনভাবে চলে আসছে গ্রামটিতে।
তথ্যসূত্র: বিবিসি।

ইফতারের আদর্শ খাবার কী?



 এবারের রোজা হচ্ছে গরমকালে। আমাদের দেশে নানা শ্রেণিপেশার বিভিন্ন বয়সীরা রোজা রাখেন। এদের মধ্যে অনেকে বিভিন্ন রোগে ভুগছেন। ফলে সবকিছু মাথায় রেখে ইফতারে খাদ্যসামগ্রী তৈরির পরিকল্পনা করতে হবে।বাঙালির ইফতারে প্রথা হয়ে গেছে, ভাজা-পোড়া খাবার দিয়ে শুরু করা। পরে অন্যান্য খাবার গ্রহণ করা। কিন্তু এতে কিছুটা হলেও আমাদের শরীরের ক্ষতি হচ্ছে। কারণ পেট দীর্ঘক্ষণ খালি থাকার পর তাতে তৈলাক্ত খাবার গেলে হজমের সমস্যা তৈরি করে। তাছাড়া এসব তৈলাক্ত খাবারের বেশিরভাগই বাইরে থেকে কেনা হয়। ফলে অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, একাধিকবার ব্যবহৃত তেলে এসব তৈরি করা। এগুলো খেলে রোজায় ফুড পয়জনিংও হতে পারে।

পুষ্টিবিদদের মতে, ইফতারের খাবারটা দুই ভাগে খেতে হবে। প্রথমে শুধু খেজুর ও পানি বা শরবত দিয়ে ইফতার করা ভাল। এরপর নামাজ শেষ করে দ্বিতীয় ভাগে অন্যান্য খাবার খেতে পারেন। কিন্তু খেয়াল রাখতে হবে দ্বিতীয় ভাগে এসে প্রতিদিন ভাজা-পোড়া খাবার খেলে শরীরে সমস্যা হতে পারে।
এজন্য এগুলোর পরিবর্তে চিড়া, কলা, দই বা একটু সুপ অথবা খিচুড়ি অথবা ভাপে বানানো কিছু পিঠা রাখলে সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর হবে। অনেকে আবার সবজি দিয়ে লাল আটার রুটি খেতে পারেন। বড় কথা আমাদের সারা দিনের যে পুষ্টি চাহিদা, তা পূরণের জন্য যে ছয়টি পুষ্টি উপাদান আছে (আমিষ, শর্করা, স্নেহ পদার্থ, ভিটামিন, খনিজ লবণ ও পানি), সেগুলো ইফতারের খাদ্য তালিকায় রাখা জরুরি।
সৌজন্যে ঃঃ- সময় নিউজ 

সোমবার, ২৩ মার্চ, ২০২০

কানাইঘাটের ১নং ইউ,পি আল-ইখওয়ান এডুকেশন ট্রাস্টের পক্ষ থেকে কোভিড-১৯ জনসচেতনতা মূলক পোস্টারিং ও লিফলেট বিতরণ

কানাইঘাটে, আল-ইখওয়ান এডুকেশন ট্রাস্টের, সচেতনতা মূলক পোস্টারিং ও লিফলেট বিতরণ চলছে।

কানাইঘাট উপজেলার ১নং লক্ষিপ্রসাদ পুর্ব ইউনিয়নের মেধা ও নৈতিকতার সমন্বয়ে শিক্ষার উন্নয়ন ঘটিয়ে একটি আদর্শ সমাজ প্রতিষ্ঠার প্রত্যয় দীপ্ত আদর্শ সামাজিক সংগঠন " আল-ইখওয়ান এডুকেশন ট্রাস্ট " এর উদ্যোগে "করোনা ভাইরাস আতংক নয় সচেতন হোন " কর্মসূচির আলোকে ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় সচেতনতা মূলক পোস্টারিং ও লিফলেট বিতরণ চলছে,, সচেতনতা মূলক এ কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দিচ্ছেন, ট্রাস্টের নির্বাহী সভাপতি মাহবুবুর রাহমান ফাহিম। অর্থ সম্পাদক জাকির হুসাইন। প্রচার সম্পাদক জুবায়ের আহমদ। সমাজ কল্যাণ সম্পাদক মারজুক হুসাইন সিপলু। শিক্ষা সম্পাদক তাওহীদ আহমদ,সদস্য তাজুল ইসলাম। সহকারী অর্থ সম্পাদক মাসুম আহমদ সহ অন্যান্য সদস্য বৃন্দ।

বুধবার, ২৬ জুন, ২০১৯

এইচ এস সি ফলাফল এর তারিখ ঘোষণা

আগামী ২০ থেকে ২২ জুলাইয়ের মধ্যে উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ হতে পারে ।
মঙ্গলবার (২৫ জুন) আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব-কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান মু. জিয়াউল হক গণমাধ্যমকে বলেন, ২০, ২১ অথবা ২২ জুলাইয়ের যে কোনো একদিন পরীক্ষার ফল প্রকাশের প্রস্তাব করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে যেদিন চূড়ান্ত হবে সেদিনই ফল প্রকাশ করা হবে।

রীতি অনুযায়ী, ফল প্রকাশের প্রস্তাব শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো হয়। প্রধানমন্ত্রী যেদিন সময় দেন সেদিনই ফল প্রকাশ করা হয়। শিক্ষামন্ত্রী গণভবনে বোর্ডের চেয়ারম্যানদের নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে ফলাফলের অনুলিপি হস্তান্তর করেন। সেদিনই প্রধানমন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে ফল প্রকাশ করেন। এরপর সংবাদ সম্মেলন করে ফলের বিস্তারিত তুলে ধরা হয়। একই সঙ্গে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে ফল প্রকাশ করা হয়

আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব-কমিটির সভাপতি জানান, প্রধানমন্ত্রী যেদিন সময় দেবেন সেদিনই ফল প্রকাশ করা হবে। তবে ২০ বা ২২ জুলাই ফল প্রকাশের সম্ভাবনা বেশি।

বিডি-প্রতিদিন/

মঙ্গলবার, ২৮ মে, ২০১৯

ছিনতাই: অটোরিক্সার চালক হত্যা, আটক তিন

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি :: হবিগঞ্জে চালককে হত্যা করে টমটম অটোরিক্সা
ছিনতাইয়ের চেষ্টা করেছে একদল দূর্বৃত্ত। এ ঘটনায় ৩ জনকে আটক
করেছে পুলিশ।
সোমবার দিবাগত রাতে সাড়ে ১২টায় এ ঘটনাটি ঘটে।
নিহত টমটম অটোরিক্সা চালক হবিগঞ্জ শহরের অনুয়ারপুর এলাকার মাতাব
আলীর পুত্র সাবাজ মিয়া (২৫)।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে আনোয়ারপুর
এলাকায় থেকে সাবাজ মিয়াকে শায়েস্তাগঞ্জ যাওয়ার জন্য ভাড়া করে
যাত্রীবেশি একদল ছিনতাইকারী। পথিমধ্যে ধুলিয়াখাল বাইপাস এলাকায় পৌঁছলে
ছিনতাইকারীরা অটোরিক্সা চালক সাবাজ মিয়াকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে
রাস্তার পাশে পেলে দেয়। পরে ছিনতাইকারীরা টমটম নিয়ে পালিয়ে
যাওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় ওই সড়ক দিয়ে টহলরত একদল পুলিশ বিষয়টি
আঁচ করতে পেরে একজনকে আটক করে। পরে আটককৃত যুবকের
স্বীকারোক্তি অনুযায়ি অপর দুই ছিনতাইকারীকে আটক করে পুলিশ।
এদিকে, ছিনতাইকারীদের তথ্যমতে ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ লাশ উদ্ধার
করে ময়না তদন্তের জন্য হবিগঞ্জ মর্গে প্রেরণ করে।
এ ব্যাপারে হবিগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শহিদুর
রহমান জানান- পুলিশ তিনজনকে আটক করেছে। মূলত টমটম অটোরিক্সা
ছিনতাইরে জন্যই তারা চালককে হত্যার করেছে বলে স্বীকার
করেছে।
সৌজন্যে :-সিলেটভিউ২৪ডটকম/২৮ মে ২০১৯/কাস/ইআ

বুধবার, ২২ মে, ২০১৯

বাংলাদেশ উন্নয়নের রূপকথার দেশ

বাংলাদেশ, পৃথিবীর মানচিত্রে সত্যিই এক উদাহরণ। এই উদাহরণ
অগ্রগতির উদাহরণ। অর্থনীতি ও আর্থ সামাজিক বেশির ভাগ সূচকে
বাংলাদেশ ছাড়িয়ে গেছে দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশকে।
নিম্ন আয়ের দেশগুলোকে ছাড়িয়েছে অনেক আগেই। আজ নিম্ন
মধ্যম আয়ের দেশ বাংলাদেশ। এখন স্বপ্ন ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম
আয়ের দেশে জায়গা করে নেয়া।
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) একটি প্রতিবেদনে বলেছে,
একটি জনবহুল ও নিম্ন আয়ের দেশ হিসেবে বাংলাদেশ যেভাবে
প্রবৃদ্ধির সঙ্গে দারিদ্র্য দূর এবং বৈষম্য কমানোকে সংযুক্ত
করেছে, তা অত্যন্ত উল্লেখযোগ্য।
সদ্য বাংলাদেশ ঘুরে গেলেন বিশ্ব ব্যাংকের ভাইস প্রেসিডেন্ট
কৌশিক বসু। তিনিও প্রশংসায় পঞ্চমুখ দেশের অর্থনীতির সূচক
নিয়ে। প্রশংসা করেছেন নিজেদের অর্থ দিয়ে পদ্মা সেতুর মতো
সাহসী পদক্ষেপের।
এছাড়া সবাইকে অন্তর্ভুক্ত করে প্রবৃদ্ধি অর্জনের ক্ষেত্রে
বাংলাদেশ এখন উদাহরণ দেওয়ার মতো একটি দেশ বলেও মন্তব্য
করেন তিনি।
বিশ্বব্যাংক বলছে, প্রধান ১২টি সূচকের মধ্যে বেশির ভাগেই
বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়া এবং অন্য নিম্ন আয়ের দেশের তুলনায়
এগিয়ে গেছে। তবে অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি অর্জনে
বাংলাদেশের বড় ধরনের সাফল্য থাকলেও রাজনীতির শঙ্কা রয়েই
গেছে।
অন্যদিকে অন্তর্ভুক্তিমূলক রাজনীতির অভাবে অর্থনীতির সাফল্য
পিছিয়ে পড়ছে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা। তারা বলছেন, এ
বছরের শুরুতে অর্থনীতি নিয়ে খুব বেশি ভয় নেই। তবে উদ্বেগ
থেকে পুরোপুরি বের হতে পারছি কী। গত দুই দশকের অর্থনৈতিক
প্রবৃদ্ধি ও সামাজিক উন্নয়নের যে কোনো সূচকের বিচারে
বাংলাদেশের অভূতপূর্ব অগ্রগতি হয়েছে।
বাংলাদেশ ১৯৯০-এর পর সার্বিকভাবে প্রবৃদ্ধিতে উন্নয়নশীল
দেশের গড় হারের তুলনায় অনেক এগিয়েছে। দারিদ্র্যের হার
অর্ধেক হয়ে গেছে। মেয়েদের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে অবদানের
হার দ্রুত বেড়েছে। জনসংখ্যা, গড় আয়ু, শিশুমৃত্যুর হার, মেয়েদের
স্কুলে পড়ার হার, সক্ষম দম্পতিদের জন্ম নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা গ্রহণের
হার ইত্যাদি সামাজিক সূচকে বাংলাদেশ সমপর্যায়ের উন্নয়নশীল
অন্যান্য দেশ, এমনকি প্রতিবেশী ভারতকে পেছনে ফেলতে সমর্থ
হয়েছে।
এই ধারাবাহিকতায় কয়েকদিন আগেই নেয়া হয়েছে নতুন
পরিকল্পনা সপ্তম ‘পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা’। যেখানে দারিদ্র্যতা
আর ক্ষুধার হার আরো নামিয়ে আনার বড় ঘোষণা রয়েছে।
অনেক ক্ষেত্রেই ভারতের তুলনায় বাংলাদেশের সাফল্য যে
বেশি, নোবেলজয়ী বাঙালি অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক অমর্ত্য সেন
তা বারবার বলেছেন। তিনি তাঁর সর্বশেষ প্রকাশিত অ্যান
আনসারটেইন গ্লোরি: ইন্ডিয়া অ্যান্ড ইটস কনট্রাডিকশনস বইয়ে
বাংলাদেশ নিয়ে আলাদা একটি অধ্যায়ও রেখেছেন।
বিশ্বব্যাংকের তৈরি করা তথ্য-উপাত্ত অনুযায়ী, নিম্ন আয়ের
দেশগুলোতে এখন গড় মাথাপিছু আয় হচ্ছে ৫২৮ ডলার। আর দক্ষিণ
এশিয়ার গড় আয় এক হাজার ১৭৬ ডলার। এক হাজার ৩১৪ ডলার নিয়ে
দক্ষিণ এশিয়াকে প্রায় ধরে ফেলেছে বাংলাদেশ। সাফল্য আছে
জনসংখ্যা বৃদ্ধির হারেও। বাংলাদেশে এখন এই হার লক্ষ্যমাত্রার
মধ্যেই।
স্বাধীনতার পর দেশের মানুষ গড়ে বেঁচে থাকত ৪৬ বছর, এখন সেই
গড় আয়ু ৭০ বছর। অথচ দক্ষিণ এশিয়ার গড় আয়ু হচ্ছে ৬৫ বছর। শুধু তাই
নয়, মেয়েরা সবচেয়ে বেশি স্কুলে যায় এই বাংলাদেশেই। গতকাল
বৃহস্পতিবার প্রকাশিত পিএসসি ও জেএসসি পরীক্ষার ফলেও
অসাধারণ সাফল্য দেখিয়ে বাংলাদেশের মেয়েরা। পাশের হার ও
মেধার স্বাক্ষরে ছেলেদের পেছনে ফেলেছে তারা।
সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অর্থ উপদেষ্টা অধ্যাপক
ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ সম্প্রতি বলেছেন, বাংলাদেশ আজ বড়
সম্ভাবনার দেশ। বাংলাদেশ শুধু যে মুসলিম প্রধান দেশ, তা নয়;
এটি উত্তর আফ্রিকা থেকে শুরু করে মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর ভারত
পর্যন্ত বিস্তৃত এমন একটি অঞ্চলের অংশ, যেখানে রয়েছে
মেয়েদের প্রতি বৈষম্যমূলক পুরুষতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থা। এ কারণে
বাংলাদেশের সামাজিক উন্নয়নের এই অগ্রগতিকে একটি ‘উন্নয়ন
বিস্ময়’ বলে আখ্যায়িত করা হয়।
এর পেছনে কাজ করেছে জনগণের উন্নয়ন-সচেতনতা, গোত্র-বর্ণ
ভেদাভেদহীন সমাজ এবং সরকারি-বেসরকারি সংস্থাগুলোর নানা
কার্যকর কর্মসূচি ও সামাজিক উদ্যোগ।
মাঠপর্যায়ের এসব কর্মসূচির মাধ্যমেই দেশের মানুষ নানা ধর্মীয়
গোঁড়ামিকে ক্রমান্বয়ে অতিক্রম করতে সক্ষম হয়েছে। জাতীয়
পর্যায়ে ধর্ম নিরপেক্ষতা বা সেক্যুলারিজম নিয়ে যে রাজনৈতিক
বিতর্ক, তা দেশের উন্নয়ন-প্রক্রিয়ায় উপাদান হিসেবে তেমন কাজ
করেছে বলে মনে হয় না।
তবে এখনো দেশের অনেক মানুষ দরিদ্র্য। বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফ
বলছে, ৬ শতাংশ হারে অব্যাহত প্রবৃদ্ধি অর্জন গ্রামীণ
অর্থনীতিকে চাঙা করেছে। মূলত ৮০ লাখ প্রবাসীর পাঠানো আয়,
তৈরি পোশাক খাতের প্রায় ৪০ লাখ শ্রমিক এবং কৃষির সবুজ
বিপ্লব বা এক জমিতে দুই ফসল দরিদ্র্য কমানোর ক্ষেত্রে বড়
ধরনের ভূমিকা রেখেছে। আবার সরকারও পিছিয়ে পড়া ও
অতিদরিদ্রদের জন্য সামাজিক কর্মসূচি খাতে অব্যাহতভাবে
বাজেট বাড়িয়েছে।
বাংলাদেশের বিস্ময়কর সাফল্যের জন্য নারীর অগ্রগতি বড়
ভূমিকা রেখেছে। এটা যে কেউ স্বীকার করবে। পোশাক খাতের ৪০
লাখ শ্রমিকের মধ্যে মেয়েদের সংখ্যাই বেশি। এঁরাই
বাংলাদেশকে অনেক এগিয়ে নিচ্ছেন।
সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এমডিজি) ঠিক করা হয়েছিল ১৯৯০
সালে। বাংলাদেশও ওই সময় থেকেই ক্রমান্বয়ে এগিয়েছে।
এমডিজি পূরণের বছর ২০১৫। জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির
(ইউএনডিপি) তৈরি করা প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ৮টি লক্ষ্যমাত্রার
মধ্যে বাংলাদেশ এরই মধ্যে অনেকগুলোতে সঠিক পথে আছে, কিছু
ক্ষেত্রে লক্ষ্য অর্জিত হয়েছে। এমডিজি পূরণের ক্ষেত্রেও
বাংলাদেশ এখন সারা বিশ্বে একটি উদাহরণ। বাংলাদেশ এখন
টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে।

‘হায়েনায় ছাড়ে না, আমিও ছাড়ি না’

  ব্যথা ভুলিয়ে রাখতে সাইফকে মুঠোফোনে ভিডিও দেখাচ্ছেন মা-বাবাছবি: মানসুরা হোসাইন হাসপাতালের বিছানায় দুই বছর তিন মাস বয়সী সাইফের বাঁ হাতে ক্যা...