শুক্রবার, ১৭ মে, ২০১৯

ছোটদের চড়া

নোটন নোটন পায়রাগুলি
ঝোটন বেঁধেছে
ওপারেতে ছেলেমেয়ে
নাইতে নেমেছে।
দুই ধারে দুই রুই কাতলা
ভেসে উঠেছে
কে দেখেছে কে দেখেছে
দাদা দেখেছে
দাদার হাতে কলম ছিল
ছুঁড়ে মেরেছে
উঃ বড্ড লেগেছে।

এম. জুবায়ের এর নামের বিষয়ে এনসাইক্লোপিডিয়াতে কী লেখা আছে...

"এম. জুবায়ের আহমদ" সদা হাস্যজ্জল ছেলেটা নিজেকে কখনো অসাধারণ ভাবে না।
 সে নিজেকে সব সময় সাধারণ মানুষের মত
জীবন যাপন করতে চায়।আসলে ভিতরে ও বাহিরে উভয় দিক
থেকেই ছেলেটা সৎ ও সুন্দর মনের মানুষ।
তার মধ্যে রয়েছে এক বন্য দিক যা কেবল তার উত্তম বন্ধু-বান্ধব দেখতে পান।
তিনি হচ্ছেন সদয়, শ্রদ্বাশীল,
বুদ্বিমান এক কথায় তিনি সাধারণ এর চাইতে অসাধারণ।
যদিও তিনি নিজেকে সাধারণ ভাবেন কখনোই
সাধারণ না কারণ তার এই গুনে তিনি অসাধারণ গুণের অধিকারী ব্যক্তি। সব
 সময় নিজে হাসি খুশিতে থাকতে
চান এবং অন্য কে ও চান সব সময় হাসি খুশি রাখতে।তার সাথে সব সময়
আপনারা অসাধারণ সময় পার করতে
পারবেন।যদি আপনারা এম. জুবায়ের এর বন্ধু-বান্ধব হয়ে থাকেন
তাহলে আপনারাই হচ্ছেন জগতের সব চেয়ে
ভাগ্য-প্রশন্ন মানুষ।

আজীবন থাকবেন বাঙালির হ্রদয়ে

শেখ মুজিবুর রহমান (১৭ মার্চ ১৯২০ - ১৫ আগস্ট ১৯৭৫)
বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি ও ভারতীয় উপমহাদেশের একজন
অন্যতম প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব যিনি বাঙালীর
অধিকার রক্ষায় ব্রিটিশ ভারত থেকে ভারত বিভাজন আন্দোলন
এবং পরবর্তীতে পূর্ব পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার
সংগ্রামে নেতৃত্ব প্রদান করেন। প্রাচীন বাঙ্গালি সভ্যতার
আধুনিক স্থপতি হিসাবে শেখ মুজিবুর রহমানকে বাংলাদেশের
জাতির জনক বা জাতির পিতা বলা হয়ে থাকে। তিনি মাওলানা
আব্দুল হামিদ খান ভাসানী প্রতিষ্ঠিত আওয়ামী লীগের সভাপতি,
বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি এবং পরবর্তীতে এদেশের
প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। জনসাধারণের কাছে তিনি
শেখ মুজিব এবং শেখ সাহেব হিসাবে বেশি পরিচিত এবং তার
উপাধি বঙ্গবন্ধু । তার কন্যা শেখ হাসিনা বাংলাদেশ আওয়ামী
লীগের বর্তমান সভানেত্রী এবং বাংলাদেশের বর্তমান
প্রধানমন্ত্রী ।

হাট্টিমাটিম টিম সম্পূর্ণ ছড়া.…...

টাট্টুকে আজ আনতে দিলাম
বাজার থেকে শিম
মনের ভুলে আনল কিনে
মস্ত একটা ডিম।
বলল এটা ফ্রি পেয়েছে
নেয়নি কোনো দাম
ফুটলে বাঘের ছা বেরোবে
করবে ঘরের কাম।
সন্ধ্যা সকাল যখন দেখো
দিচ্ছে ডিমে তা
ডিম ফুটে আজ বের হয়েছে
লম্বা দুটো পা।
উল্টে দিয়ে পানির কলস
উল্টে দিয়ে হাড়ি
আজব দু'পা বেড়ায় ঘুরে
গাঁয়ের যত বাড়ি।
সপ্তা বাদে ডিমের থেকে
বের হল দুই হাত
কুপি জ্বালায় দিনের শেষে
যখন নামে রাত।
উঠোন ঝাড়ে বাসন মাজে
করে ঘরের কাম
দেখলে সবাই রেগে মরে
বলে এবার থাম।
চোখ না থাকায় এ দুর্গতি
ডিমের কি দোষ ভাই
উঠোন ঝেড়ে ময়লা ধুলায়
ঘর করে বোঝাই।
বাসন মেজে সামলে রাখে
ময়লা ফেলার ভাঁড়ে
কাণ্ড দেখে টাট্টু বারি
নিজের মাথায় মারে।
শিঙের দেখা মিলল ডিমে
মাস খানিকের মাঝে
কেমনতর ডিম তা নিয়ে
বসলো বিচার সাঁঝে।
গাঁয়ের মোড়ল পান চিবিয়ে
বলল বিচার শেষ
এই গাঁয়ে ডিম আর রবে না
তবেই হবে বেশ।
মনের দুখে ঘর ছেড়ে ডিম
চলল একা হেঁটে
গাছের সাথে ধাক্কা খেয়ে
ডিম গেলো হায় ফেটে
গাঁয়ের মানুষ একসাথে সব;
সবাই ভয়ে হিম
ডিম ফেটে যা বের হল তা
হাট্টিমাটিম টিম।
হাট্টিমাটিম টিম-
তারা মাঠে পারে ডিম
তাদের খাড়া দুটো শিং
তারা হাট্টিমাটিম টিম

বৃহস্পতিবার, ১৬ মে, ২০১৯

ঘুম পাড়ানি মাসি পিসি

ঘুম পাড়ানি মাসি-পিসি
মোদের বাড়ি এসো,
খাট নাই পালং নাই
খোকার চোখে বসো।
বাটা ভরে পান দিবো
গাল ভরে খেয়ো,
খোকার চোখে ঘুম নাই
ঘুম দিয়ে যেয়ো।

আয় আয় চাঁদ মামা

আয় আয় চাঁদ মামা
টিপ দিয়ে যা,
চাঁদের কপালে চাঁদ
টিপ দিয়ে যা।
মাছ কাঁটলে মুড়ো দিব,
ধান ভাংলে কুড়ো দিব,
কালো গরুর দুধ দিব,
দুধ খাবার বাটি দিব
চাঁদের কপালে চাঁদ
টিপ দিয়ে যা।

আমাদের গ্রাম







বন্দে আলী মিঞা
আমাদের গ্রাম

আমাদের ছোটো গাঁয়ে ছোটো ছোটো ঘর
থাকি সেথা সবে মিলে কেহ নাহি পর।
পাড়ার সকল ছেলে মোরা ভাই ভাই
একসাথে খেলি আর পাঠশালে যাই।
হিংসা ও মারামারি কভু নাহি করি,
পিতা-মাতা গুরুজনে সদা মোরা ডরি।
আমাদের ছোটো গ্রামে মায়ের সমান,
আলো দিয়ে বায়ু দিয়ে বাঁচাইছে প্রাণ।
মাঠভরা ধান আর জলভরা দিঘি,
চাঁদের কিরণ লেগে করে ঝিকিমিকি।
আমগাছ জামগাছ বাঁশ ঝাড় যেন,
মিলে মিশে আছে ওরা আত্মীয় হেন।
সকালে সোনার রবি পূব দিকে ওঠে
পাখি ডাকে, বায়ু বয়, নানা ফুল ফোটে।

বিশ্বাস নামক শব্দটা.....

 প্রতিটি সম্পর্ক স্থায়ীত্ব  লাভ করে  বিশ্বাস নামক শব্দ দ্বারা। এই বিশ্বাস এর উপর ভর করে পিতা  তুলে দেন উনার  আদরের মেয়ে রাজকণ্যাকে   অচেনা অজানা এক মানুষের সাথে, তারা ও এই বিশ্বাসের উপর ভর করে কাটিয়ে দেয় জীবনের বাকি অংশ।

এই বিশ্বাস নামক শব্দের উপর ভর করে জীবনের তাগিদে স্ত্রী থেকে অনেক দূর প্রভাসে থাকতে হয় স্বামীকে , কাটিয়ে দেয় জীবনের গুরুত্ব কিছু মুহূর্ত হারিয়ে ফেলে জীবনের সেরা একটা সময়।

এই বিশ্বাসের উপর ভর করে মেয়েটি রক্তের সম্পর্ক ত্যাগ করে কখনো পালিয়ে যায় প্রিয়জনের সাথে ছেলেটি ও বিশ্বাস করে হাতটি ধরে মজবুত করে।

এই বিশ্বাস এর উপর ভর করে শুন্যপথের আকাশপথ পাড়ি দিতে হয় দূর থেকে দূরান্তর।

এই রকম হাজারো বাস্তব কাহিনী প্রতিনিয়ত আমাদের চারপাশে  ঘটে যায় শুধু বিশ্বাস নামক শব্দের কারণে।

ভালোলাগা, ভালোবাসা এগুলো প্রতিটি মানুষের মাঝে এক সময় হয়ে থাকে, বলতে পারো এখানে ও দু,জন বিশ্বাস করে একে অন্যকে মন আদান -প্রধান করে।

বিশ্বাসের উপর ভর করেই তিলে তিলে গড়ে উটে  একটা অচেনা অজানা মানুষের মধুর সম্পর্ক।

জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে বিশ্বাস নিয়ে সামনে এগুলে আপনি ও সেখানে কৃতকার্য হবেন।বিশ্বাস রাখুন নিজের প্রতি, বিশ্বাস রাখুন প্রিয়জনের প্রতি।

কখনো এমন কোন কাজ করো না যেখানে আপনার একটু মান -অভিমানে অন্য একজনের তিলে তিলে গড়ে তোলা বিশ্বাসে আঘাত করে।আপনার দেখাতে, জানাতে,শোনাতে ও ভুল হতে পারে এর জন্য যেনো বলি না হয় অন্য কারো জীবনের শেষ স্বপ্ন।

কয়েক মিনিটে পালাবে তেলাপোকা, জেনে নিন জাদুকরী উপায


রান্নাঘর, বাথরুম বা বারান্দার নানা কোণে তেলাপোকার
উপদ্রব দেখতে পাওয়া যায়। তেলাপোকা মূলত বর্জ্য-আবর্জনায়
থাকে। তাই জীবাণু বয়ে বেড়াতে ওস্তাদ। এর পর ঘরের নানা
প্রান্তে ঘুরে বেড়ায়, কখনও খাবার-দাবারের উপর। এতে এর
গায়ে থাকা জীবাণুও ছড়িয়ে পড়ে ঘরে।
তেলাপোকামুক্ত ঘর পেতে বাজারচলতি নানা রাসায়নিক
স্প্রে-র উপর নির্ভর করেন অনেকেই। কিন্তু সে সব
রাসায়নিকেরও কিছু ক্ষতিকর দিক আছে। কিছু ঘরোয়া উপায়
মানলে ঘর থেকে তেলাপোকাকে সরানো যায় দ্রুত।
তেজপাতা- সব চেয়ে সহজ ও সস্তা উপায়ে তেলাপোকা
তাড়াতে এর চেয়ে ভাল পদ্ধতি আর নেই। সপ্তাহে কয়েক দিন
তেজপাতার গুঁড়ো ছড়িয়ে দিন ঘরের আনাচে কানাচে, এর গন্ধ
তেলাপোকা সহ্য করতে পারে না।
বেকিং সোডার সঙ্গে মেশান মধু বা চিনি। মিষ্টির সঙ্গে
মিশিয়ে তা ছড়িয়ে দিতে পারেন ঘরে। মিষ্টির গন্ধে
তেলাপোকা সেই খাবারে আকৃষ্ট হবে ও বেকিং সোডার
প্রকোপে মারাও পড়বে।
বোরিক পাউডারের সঙ্গে আটা বা ময়দার গুঁড়ো মিশিয়ে
ছড়িয়ে দিন ঘরের চারপাশে। মারা পড়বে তেলাপোকা।
ঘর মোছার জলে কয়েক ফোঁটা লেবুর রস দিয়ে ঘর মুছুন, আপনার
ঘর হবে পোকামাকড়মুক্ত। তেলাপোকা তাড়াতেও একই টোটকা
ব্যবহার করতে পারেন।
বোরিক অ্যাসিডের সঙ্গে চিনি মিশিয়ে সেই মিশ্রণ ব্যবহার
করুন। এতে শুধু তেলাপোকা নয়, পালাবে যেকোনও পোকামাকড়।
চিনির টানে তেলাপোকা আসবে আর বোরিক অ্যাসিডের মতো
বিষের সংস্পর্শে এলেই মরবে।
একচামচ গোলমরিচ, কিছুটা রসুন আর অর্ধেক পেঁয়াজ বেটে
তাতে এক লিটার পানি মেশান। সাবান পানিও মেশাতে পারেন
এতে। এবার রান্নাঘর ও বাথরুমে ছিটিয়ে দিন ওই মিশ্রণ।
চাইলে ঘর মোছার জন্যও ব্যবহার করতে পারেন। তেলাপোকা
এই মিশ্রণের গন্ধ সহ্য করতে পারবে না। আর পালাবে আপনার
বাড়ি ছেড়ে।কয়েক মিনিটে পালাবে তেলাপোকা, জেনে নিন
জাদুকরী উপায়
তেলাপোকা মানেই একটি বিরক্তিকর প্রাণী। যা দেখলে মন-
মেজাজ খারাপ হয়ে যায়। কিছু কীট-পতঙ্গ আমাদের চিন্তার
অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়ায়। যা মধ্যে একটি তেলাপোকা।
রান্নাঘর, বাথরুম বা বারান্দার নানা কোণে তেলাপোকার
উপস্থিতি দেখতে পাওয়া যায়। গ্রীষ্মকাল পরতেই বারের
তেলাপোকার উপদ্রব।
তেলাপোকা মূলত বর্জ্য-আবর্জনায় থাকে। তাই জীবাণু বয়ে
বেড়াতে ওস্তাদ। এর পর ঘরের নানা প্রান্তে ঘুরে বেড়ায়,
কখনও খাবার-দাবারের উপর। এতে এর গায়ে থাকা জীবাণুও
ছড়িয়ে পড়ে ঘরে।
তেলাপোকামুক্ত ঘর পেতে বাজারচলতি নানা রাসায়নিক
স্প্রে-র উপর নির্ভর করেন অনেকেই। কিন্তু সে সব
রাসায়নিকেরও কিছু ক্ষতিকর দিক আছে। কিছু ঘরোয়া উপায়
মানলে ঘর থেকে তেলাপোকাকে সরানো যায় দ্রুত।
তেজপাতা- সব চেয়ে সহজ ও সস্তা উপায়ে তেলাপোকা
তাড়াতে এর চেয়ে ভাল পদ্ধতি আর নেই। সপ্তাহে কয়েক দিন
তেজপাতার গুঁড়ো ছড়িয়ে দিন ঘরের আনাচে কানাচে, এর গন্ধ
তেলাপোকা সহ্য করতে পারে না।
বেকিং সোডার সঙ্গে মেশান মধু বা চিনি। মিষ্টির সঙ্গে
মিশিয়ে তা ছড়িয়ে দিতে পারেন ঘরে। মিষ্টির গন্ধে
তেলাপোকা সেই খাবারে আকৃষ্ট হবে ও বেকিং সোডার
প্রকোপে মারাও পড়বে।
বোরিক পাউডারের সঙ্গে আটা বা ময়দার গুঁড়ো মিশিয়ে
ছড়িয়ে দিন ঘরের চারপাশে। মারা পড়বে তেলাপোকা।
ঘর মোছার জলে কয়েক ফোঁটা লেবুর রস দিয়ে ঘর মুছুন, আপনার
ঘর হবে পোকামাকড়মুক্ত। তেলাপোকা তাড়াতেও একই টোটকা
ব্যবহার করতে পারেন।
বোরিক অ্যাসিডের সঙ্গে চিনি মিশিয়ে সেই মিশ্রণ ব্যবহার
করুন। এতে শুধু তেলাপোকা নয়, পালাবে যেকোনও পোকামাকড়।
চিনির টানে তেলাপোকা আসবে আর বোরিক অ্যাসিডের মতো
বিষের সংস্পর্শে এলেই মরবে।
একচামচ গোলমরিচ, কিছুটা রসুন আর অর্ধেক পেঁয়াজ বেটে
তাতে এক লিটার জল মেশান। সাবান জলও মেশাতে পারেন
এতে। এবার রান্নাঘর ও বাথরুমে ছিটিয়ে দিন ওই মিশ্রণ।
চাইলে ঘর মোছার জন্যও ব্যবহার করতে পারেন। তেলাপোকা
এই মিশ্রণের গন্ধ সহ্য করতে পারবে না। আর পালাবে আপনার
বাড়ি ছেড়ে।

বাবা বিশ্বাস করো আমি চাইনি কোন দিন পত্রিকার শিরোনাম হবো

❤❤বাবা, বিশ্বাস করো, কোনদিন চাইনি আমিও পত্রিকার কোন
খবরের অংশ হবো। কখনো চাইনি আমি এমন একটা খবরে থাকবো
যার শিরোনামের বিষয় থাকবে ধর্ষিত, লান্ছিত আর কুপিয়ে হত্যা।
আমি কতো সুন্দর লেখালেখি করতে পারতাম, বাবা। অনেক স্বপ্ন
ছিল জানো, কোন একদিন নোবেল পাবো, তখন আমার ছবি ছাপবে,
আর তুমি গর্ব করে বুকে টেনে নিয়ে কাঁদতে থাকবে। জানি তোমার
থেকে সেইদিন কেউ খুশি হতো না, আমিও না। তোমাকে অনেক
ভালোবাসি, বাবা। অনেকদিন তোমাকে ধরে দেখিনা, অনেকদিন
তোমার সাথে কথা হয়না। আমাকে মিস করোতো, বাবা?
ক্ষমা করে দিয়ো পারলে আমাকে। কখনো ভাবতে পারিনি
তোমাকে এত বেশি কাঁদাবো, এতটা বেশি। কোন একদিন দেখা
হবে হয়তো, আমার মাথায় হাত বুলিয়ে দিবে তো, বাবা? আমাকে
অনেক কাছে টেনে আদর করে দিবে তো, বাবা?
: আমাকে ক্ষমা করে দিস রে মা। তোর জন্য আমি ন্যায়বিচার এনে
দিতে পারলাম না। তোর ধর্ষকের জামিন হয়ে গেছে। বাপ হয়ে
আমি কিচ্ছু করতে পারলাম না রে, মা। কিচ্ছু করতে পারলাম না।
ফিরে আয় রে খুকি, তোর অপেক্ষাতে থাকি প্রতিদিন। দরজাটার
পাশে বসে কাঁদি রে। এই বুঝি চলে এলি। তাড়াতাড়ি চলে আয়, মা।
তাড়াতাড়ি চলে আয়।
: কেদো না বাবা। এখান থেকে আর কি করে আসবো? এখান থেকে
তো আর ফেরত আসা যায়না। ভালো থেকো তুমি, বাবা। তোমার
মতো যেন আর কোন বাবাকে এতো কাঁদতে না হয়।
- Jawwad Sami❤

মঙ্গলবার, ১৪ মে, ২০১৯

যে সব কাজ থেকে বিরত থাকবেন সব সময়....

হাদিসে প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘এমন অনেক রোজাদার আছেন, যাদের রোজা পালন উপবাস করা ছাড়া আর কিছুই হয় না। আবার এমন অনেক রাত জেগে ইবাদত করা লোক আছেন, যাদের রাতজাগরণে কোনো ফল অর্জিত হয় না।’
কারণ রোজা যেভাবে পালন করা উচিত কিংবা রাত জেগে যেভাবে ইবাদত করা উচিত তারা সেভাবে রোজা ও ইবাদত করে না। ফলে তাদের রোজা পালন শুধু উপবাস করায় গণ্য হয় আর রাত জেগে ইবাদত শুধু রাতজগরণ হিসেবে গণ্য হয়।
এ অবস্থায় রোজাদারের করণীয় হলো রোজা ও ইবাদতের বিষয়ে সতর্ক থাকা। রোজার পরিপূর্ণ হক আদায়ে কিছু বিষয় থেকে বিরত থাকা জরুরি। আর তাহলো-
>> মিথ্যা ও গিবত
সাওম বা রোজা তার পালনকারীর জন্য ঢাল স্বরূপ। কোনো ব্যক্তি যখন রোজা রাখে আর মিথ্যা ও মন্দ কাজ থেকে বিরত থাকে না। সে ব্যক্তির রোজা তার জন্য ঢালস্বরূপ নয়। তাই রোজা অবস্থায় মিথ্যা, গিবত, কড়া কথা, ঝগড়া-বিবাদসহ যাবতীয় মন্দ কাজ থেকে বিরত থাকা জরুরি।
>> অন্যায় আচরণ
সাওম বা রোজা পালন যেন মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য হয়। অশ্লীল কাজে নিজেকে জড়িয়ে রোজার মর্যাদা ও সফলতা লাভের আশা করা একেবারেই ভুল। তাই রোজা রেখে অশ্লীল কাজ থেকে বিরত থাকা জরুরি।
এমনকি কোনো ব্যক্তি যদি কোনো রোজাদারের সঙ্গে খারাপ আচরণ করে তবে রোজাদার যেন ওই ব্যক্তির সঙ্গে খারাপ আচরণ না করে। বরং রোজাদারের এ কথা বলা উচিত- আমি আল্লাহর রাজি-খুশির জন্য রোজা পালন করছি।
>> কৃদৃষ্টি
চলা-ফেরাসহ সবসময় নিজেদের দৃষ্টির হেফাজত করা জরুরি। কারো কুদৃষ্টি দেয়া থেকে বিরত থাকা। প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘শয়তানের তীরসমূহের মধ্যে মানুষের দৃষ্টি শক্তিও একটি। যে ব্যক্তি আল্লাহর ভয়ে এ তীর বিদ্ধ হওয়া থেকে মুক্ত থাকতে প্রচেষ্টা করে, আল্লাহ তার হৃদয়ে ঈমানের এমন এক দৃষ্টি শক্তি দান করেন, যাতে সেই ব্যীক্ত মজা ও স্বাদ অনুভব করতে পারে।
>> বদনাম ছড়ানো
কারো ব্যাপারে কুৎসা রটানো থেকে বিরত থাকা জরুরি। কোনো ব্যক্তির ব্যাপারে কুৎসা রটানোকে আরবিতে গিবত বা পরনিন্দা বলে। কুরআনে পাকে এ কাজকে মৃত মানুষের পচা গোশত খাওয়ার সঙ্গে তুলনা করেছেন।
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে এ বিষয়ে সুস্পষ্ট ধারণা লাভে গিবত সম্পর্কে জানতে চাইল তিনি বলেন, ‘কোনো ব্যক্তির পেছনে এমন কোনো কথা বলা, যা তার সামনে বললে সে ব্যক্তি নারাজ হয়।’
সাাবায়ে কেরাম জানতে চাইলেন যে, সে ব্যক্তির মাঝে যদি সেই দোষ বাস্তবেই থাকে? প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, ‘তবেই তো গিবত বা কুৎসা রটনো হলো। আর যদি ঘটনা সত্য না হয়ে মিথ্যা হয় তবে তার ব্যাপারে মিথ্যা অপবাদ দেয়া হলো। যেটি আরো বড় মারাত্মক অপরাধ।
>> অশ্লীল কথা-বার্তা
রোজা রেখে অশ্লীলতা তথা গানবাদ্য বাজনা থেকে নিজেদের শ্রবণ শক্তিকে বিরত রাখা। রোজা রেখে পরনিন্দা, অন্যায় ওমন্দ আচরণ যেমন গোনাহের কাজ, তেমনি অশ্লীল কথাবার্তা তথা গান-বাদ্যবাজনাও গুরুত্বর অপরাধ। তাই রোজাকে নিরাপদ, সুন্দর ও মকবুল করতে উল্লেখিত বিষয়গুলো থেকে নিজেদের বিরত রাখা ঈমানের একান্ত দাবি।
পরিশেষে উল্লেখিত কাজগুলো শুধু রোজা অবস্থায় নিষিদ্ধ এমন নয় বরং সবসময়ের জন্যই এ কাজগুলো অন্যায় ও ঘৃণিত কাজ। বছর জুড়ে এ কাজগুলো থেকে নিজেকে বিরত রাখতে রমজানই এ কাজ থেকে বিরত থাকতে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করার উপযুক্ত সময়।
আল্লাহ তাআলা রোজাদার ব্যক্তিকে দুনিয়ার যাবতীয় অন্যায় থেকে মুক্ত থেকে যথাযথভাবে আদায় করার মাধ্যমে আল্লাহর পক্ষ থেকে শ্রেষ্ঠ পুরস্কার লাভের তাওফিক দান করুন। আমিন।

‘হায়েনায় ছাড়ে না, আমিও ছাড়ি না’

  ব্যথা ভুলিয়ে রাখতে সাইফকে মুঠোফোনে ভিডিও দেখাচ্ছেন মা-বাবাছবি: মানসুরা হোসাইন হাসপাতালের বিছানায় দুই বছর তিন মাস বয়সী সাইফের বাঁ হাতে ক্যা...