বুধবার, ২২ মে, ২০১৯

বাংলাদেশ উন্নয়নের রূপকথার দেশ

বাংলাদেশ, পৃথিবীর মানচিত্রে সত্যিই এক উদাহরণ। এই উদাহরণ
অগ্রগতির উদাহরণ। অর্থনীতি ও আর্থ সামাজিক বেশির ভাগ সূচকে
বাংলাদেশ ছাড়িয়ে গেছে দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশকে।
নিম্ন আয়ের দেশগুলোকে ছাড়িয়েছে অনেক আগেই। আজ নিম্ন
মধ্যম আয়ের দেশ বাংলাদেশ। এখন স্বপ্ন ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম
আয়ের দেশে জায়গা করে নেয়া।
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) একটি প্রতিবেদনে বলেছে,
একটি জনবহুল ও নিম্ন আয়ের দেশ হিসেবে বাংলাদেশ যেভাবে
প্রবৃদ্ধির সঙ্গে দারিদ্র্য দূর এবং বৈষম্য কমানোকে সংযুক্ত
করেছে, তা অত্যন্ত উল্লেখযোগ্য।
সদ্য বাংলাদেশ ঘুরে গেলেন বিশ্ব ব্যাংকের ভাইস প্রেসিডেন্ট
কৌশিক বসু। তিনিও প্রশংসায় পঞ্চমুখ দেশের অর্থনীতির সূচক
নিয়ে। প্রশংসা করেছেন নিজেদের অর্থ দিয়ে পদ্মা সেতুর মতো
সাহসী পদক্ষেপের।
এছাড়া সবাইকে অন্তর্ভুক্ত করে প্রবৃদ্ধি অর্জনের ক্ষেত্রে
বাংলাদেশ এখন উদাহরণ দেওয়ার মতো একটি দেশ বলেও মন্তব্য
করেন তিনি।
বিশ্বব্যাংক বলছে, প্রধান ১২টি সূচকের মধ্যে বেশির ভাগেই
বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়া এবং অন্য নিম্ন আয়ের দেশের তুলনায়
এগিয়ে গেছে। তবে অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি অর্জনে
বাংলাদেশের বড় ধরনের সাফল্য থাকলেও রাজনীতির শঙ্কা রয়েই
গেছে।
অন্যদিকে অন্তর্ভুক্তিমূলক রাজনীতির অভাবে অর্থনীতির সাফল্য
পিছিয়ে পড়ছে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা। তারা বলছেন, এ
বছরের শুরুতে অর্থনীতি নিয়ে খুব বেশি ভয় নেই। তবে উদ্বেগ
থেকে পুরোপুরি বের হতে পারছি কী। গত দুই দশকের অর্থনৈতিক
প্রবৃদ্ধি ও সামাজিক উন্নয়নের যে কোনো সূচকের বিচারে
বাংলাদেশের অভূতপূর্ব অগ্রগতি হয়েছে।
বাংলাদেশ ১৯৯০-এর পর সার্বিকভাবে প্রবৃদ্ধিতে উন্নয়নশীল
দেশের গড় হারের তুলনায় অনেক এগিয়েছে। দারিদ্র্যের হার
অর্ধেক হয়ে গেছে। মেয়েদের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে অবদানের
হার দ্রুত বেড়েছে। জনসংখ্যা, গড় আয়ু, শিশুমৃত্যুর হার, মেয়েদের
স্কুলে পড়ার হার, সক্ষম দম্পতিদের জন্ম নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা গ্রহণের
হার ইত্যাদি সামাজিক সূচকে বাংলাদেশ সমপর্যায়ের উন্নয়নশীল
অন্যান্য দেশ, এমনকি প্রতিবেশী ভারতকে পেছনে ফেলতে সমর্থ
হয়েছে।
এই ধারাবাহিকতায় কয়েকদিন আগেই নেয়া হয়েছে নতুন
পরিকল্পনা সপ্তম ‘পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা’। যেখানে দারিদ্র্যতা
আর ক্ষুধার হার আরো নামিয়ে আনার বড় ঘোষণা রয়েছে।
অনেক ক্ষেত্রেই ভারতের তুলনায় বাংলাদেশের সাফল্য যে
বেশি, নোবেলজয়ী বাঙালি অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক অমর্ত্য সেন
তা বারবার বলেছেন। তিনি তাঁর সর্বশেষ প্রকাশিত অ্যান
আনসারটেইন গ্লোরি: ইন্ডিয়া অ্যান্ড ইটস কনট্রাডিকশনস বইয়ে
বাংলাদেশ নিয়ে আলাদা একটি অধ্যায়ও রেখেছেন।
বিশ্বব্যাংকের তৈরি করা তথ্য-উপাত্ত অনুযায়ী, নিম্ন আয়ের
দেশগুলোতে এখন গড় মাথাপিছু আয় হচ্ছে ৫২৮ ডলার। আর দক্ষিণ
এশিয়ার গড় আয় এক হাজার ১৭৬ ডলার। এক হাজার ৩১৪ ডলার নিয়ে
দক্ষিণ এশিয়াকে প্রায় ধরে ফেলেছে বাংলাদেশ। সাফল্য আছে
জনসংখ্যা বৃদ্ধির হারেও। বাংলাদেশে এখন এই হার লক্ষ্যমাত্রার
মধ্যেই।
স্বাধীনতার পর দেশের মানুষ গড়ে বেঁচে থাকত ৪৬ বছর, এখন সেই
গড় আয়ু ৭০ বছর। অথচ দক্ষিণ এশিয়ার গড় আয়ু হচ্ছে ৬৫ বছর। শুধু তাই
নয়, মেয়েরা সবচেয়ে বেশি স্কুলে যায় এই বাংলাদেশেই। গতকাল
বৃহস্পতিবার প্রকাশিত পিএসসি ও জেএসসি পরীক্ষার ফলেও
অসাধারণ সাফল্য দেখিয়ে বাংলাদেশের মেয়েরা। পাশের হার ও
মেধার স্বাক্ষরে ছেলেদের পেছনে ফেলেছে তারা।
সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অর্থ উপদেষ্টা অধ্যাপক
ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ সম্প্রতি বলেছেন, বাংলাদেশ আজ বড়
সম্ভাবনার দেশ। বাংলাদেশ শুধু যে মুসলিম প্রধান দেশ, তা নয়;
এটি উত্তর আফ্রিকা থেকে শুরু করে মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর ভারত
পর্যন্ত বিস্তৃত এমন একটি অঞ্চলের অংশ, যেখানে রয়েছে
মেয়েদের প্রতি বৈষম্যমূলক পুরুষতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থা। এ কারণে
বাংলাদেশের সামাজিক উন্নয়নের এই অগ্রগতিকে একটি ‘উন্নয়ন
বিস্ময়’ বলে আখ্যায়িত করা হয়।
এর পেছনে কাজ করেছে জনগণের উন্নয়ন-সচেতনতা, গোত্র-বর্ণ
ভেদাভেদহীন সমাজ এবং সরকারি-বেসরকারি সংস্থাগুলোর নানা
কার্যকর কর্মসূচি ও সামাজিক উদ্যোগ।
মাঠপর্যায়ের এসব কর্মসূচির মাধ্যমেই দেশের মানুষ নানা ধর্মীয়
গোঁড়ামিকে ক্রমান্বয়ে অতিক্রম করতে সক্ষম হয়েছে। জাতীয়
পর্যায়ে ধর্ম নিরপেক্ষতা বা সেক্যুলারিজম নিয়ে যে রাজনৈতিক
বিতর্ক, তা দেশের উন্নয়ন-প্রক্রিয়ায় উপাদান হিসেবে তেমন কাজ
করেছে বলে মনে হয় না।
তবে এখনো দেশের অনেক মানুষ দরিদ্র্য। বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফ
বলছে, ৬ শতাংশ হারে অব্যাহত প্রবৃদ্ধি অর্জন গ্রামীণ
অর্থনীতিকে চাঙা করেছে। মূলত ৮০ লাখ প্রবাসীর পাঠানো আয়,
তৈরি পোশাক খাতের প্রায় ৪০ লাখ শ্রমিক এবং কৃষির সবুজ
বিপ্লব বা এক জমিতে দুই ফসল দরিদ্র্য কমানোর ক্ষেত্রে বড়
ধরনের ভূমিকা রেখেছে। আবার সরকারও পিছিয়ে পড়া ও
অতিদরিদ্রদের জন্য সামাজিক কর্মসূচি খাতে অব্যাহতভাবে
বাজেট বাড়িয়েছে।
বাংলাদেশের বিস্ময়কর সাফল্যের জন্য নারীর অগ্রগতি বড়
ভূমিকা রেখেছে। এটা যে কেউ স্বীকার করবে। পোশাক খাতের ৪০
লাখ শ্রমিকের মধ্যে মেয়েদের সংখ্যাই বেশি। এঁরাই
বাংলাদেশকে অনেক এগিয়ে নিচ্ছেন।
সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এমডিজি) ঠিক করা হয়েছিল ১৯৯০
সালে। বাংলাদেশও ওই সময় থেকেই ক্রমান্বয়ে এগিয়েছে।
এমডিজি পূরণের বছর ২০১৫। জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির
(ইউএনডিপি) তৈরি করা প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ৮টি লক্ষ্যমাত্রার
মধ্যে বাংলাদেশ এরই মধ্যে অনেকগুলোতে সঠিক পথে আছে, কিছু
ক্ষেত্রে লক্ষ্য অর্জিত হয়েছে। এমডিজি পূরণের ক্ষেত্রেও
বাংলাদেশ এখন সারা বিশ্বে একটি উদাহরণ। বাংলাদেশ এখন
টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে।

শনিবার, ১৮ মে, ২০১৯

ছাত্র রাজনীতি করেছি, কখনো পদ নিয়ে চিন্তা করিনি : প্রধানমন্ত্রী

ভি এল জি ডেস্কঃ-
স্কুল জীবন থেকে রাজনীতিতে জড়িত
হলেও কখনো পদ চাননি, পদ নিয়ে চিন্তা করেননি বলে
জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ
হাসিনা।
বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে
আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে
শুক্রবার (১৭ মে) গণভবনে শুভেচ্ছা বিনিময়কালে একথা জানান
তিনি।
কখনো পদ নিয়ে চিন্তা না করার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী
শেখ হাসিনা বলেন, স্কুল জীবন থেকেই রাজনীতির সঙ্গে জড়িত
ছিলাম। তারপর কলেজে গিয়ে.. তারপর ইউনিভার্সিটিতে তখনো
ছাত্রলীগেরই সদস্য ছিলাম। আমার রাজনীতি ছাত্র রাজনীতি
থেকেই শুরু। তবে কখনো কোনো বড় পোস্টে ছিলাম না, পোস্ট
চাইওনি কখনো।
তিনি বলেন, যখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ি তখন ঢাকা
বিশ্ববিদ্যালয় কমিটির একজন সদস্য ছিলাম। কখনো পদ নিয়ে
চিন্তা করিনি, পদ চাইওনি। আমরা পদ সৃষ্টি করে এবং সবাইকে
পদে বসানো এই দায়িত্বটাই পালন করতাম।
১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সপরিবারে বঙ্গবন্ধু নিহত হওয়ার পর
বিদেশে নির্বাসিত অবস্থায় আওয়ামী লীগের সভাপতি
নির্বাচিত হওয়ার কথা উল্লেখ করে বঙ্গবন্ধু কন্যা বলেন, ৭৫ এর
এত বড় দায়িত্ব আমাকে নিতে হবে এটা কখনো আমি ভাবিনি,
চাইওনি, এটা চিন্তাও ছিল না।
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ দলটির শীর্ষ
নেতারা প্রধানমন্ত্রীকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। এছাড়া
স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে আওয়ামী লীগের সহযোগী
সংগঠনের শীর্ষ নেতারাও প্রধানমন্ত্রীকে ফুলেল শুভেচ্ছা
জানান।
১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা সপরিবারে নিহত হওয়ার পর
বেশ কয়েক বছর বিদেশে নির্বাসিত থেকে ১৯৮১ সালের আজকের
এই দিনে দেশে ফিরে আসেন বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা দেশে
ফিরে আসেন। দেশে ফিরে আসার আগে বিদেশে থাকা অবস্থায়
তিনি আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হন। এরপর
থেকে তিনি টানা ৩৮ বছর বাংলাদেশের প্রাচীনতম রাজনৈতিক
সংগঠনের আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে
আসছেন।
৯৬ সালের আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর এক টার্ম ও ২০০৯
সালে সরকার গঠনের পর থেকে টানা তিনবার মিলিয়ে
বাংলাদেশে ইতিহাসে ৪ টার্ম প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন
করছেন শেখ হাসিনা।



সৌজন্যে ঃ-  বাংলানিউজ২৪

নকল বাটার দিয়ে তৈরী হয় ফুলকলির পণ্য

বিভিন্ন বেনামি প্রতিষ্ঠান থেকে ‘নিম্নমানের নকল বাটার’
কিনে তা দিয়ে তৈরি হয় ফুলকলি ব্রেড অ্যান্ড বিস্কুট
ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের পণ্য। দীর্ঘদিন এ ‘নিম্নমানের নকল
বাটার’ দিয়ে তৈরি হয়ে আসছে ফুলকলির পণ্য। প্রতিষ্ঠানের
কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ম্যানেজ করে মো. লিটন নামে এক
ব্যক্তি এসব ‘নিম্নমানের নকল বাটার’ সরবরাহ করে
আসছিলেন ফুলকলিসহ বিভিন্ন ব্র্যান্ডের খাদ্যপণ্য তৈরির
প্রতিষ্ঠানে। সিভয়েসের অনুসন্ধানে উঠে এসেছে এমন সব
চাঞ্চল্যকর তথ্য।
‘নিম্নমানের নকল বাটার’ তৈরির বিষয়টি সিভয়েসের কাছে
স্বীকারও করেছেন ফুলকলি ব্রেড অ্যান্ড বিস্কুট ইন্ডাস্ট্রিজ
লিমিটেডের জেনারেল ম্যানেজার এমএ সবুর।
তবে এমএ সবুর দাবি করেছেন
কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ফুলকলিতে ‘নিম্নমানের নকল
বাটার’ সরবরাহের অভিযোগ উঠায় তাদের কাছ থেকে বাটার ও
ঘি কেনা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
সিভয়েসের অনুসন্ধানে উঠে আসে কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের নাম
যেসব প্রতিষ্ঠান ফুলকলিতে বাটার ও ঘি সরবরাহ করতেন। এসব
প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে ঢাকার মিরপুর পল্লবী এলাকার শাহী
ট্রেডার্স, চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জের আলম এন্টারপ্রাইজ, ঢাকার
দেওয়ানপাড়া মাটিকাটা এলাকার খান এন্টারপ্রাইজ। ভিন্ন
ভিন্ন নাম ও ঠিকানা হলেও এসব প্রতিষ্ঠানের মালিক মো. লিটন
নামে এক ব্যক্তি। লিটনের সহযোগী মো. মামুন নামে আরেক
ব্যক্তি নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় এসব নকল বাটার ফ্লেভারসসহ আরও
কয়েকটি ব্র্যান্ডের প্রতিষ্ঠানে সরবরাহ করেন। মো. মামুনও এসব
বিষয় স্বীকার করেন।
মো. মামুন বলেন, ‘ফুলকলি এখন আর আমাদের কাছ থেকে পণ্য নেয়
না। তারা বিলও আটকে রেখেছে।’
এদিকে ফুলকলি কর্তৃপক্ষ বিষয়টি জানার পরেও কোনো ব্যবস্থা
নেয়নি। উল্টো এ ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার জন্য চেষ্টা করছে।
অভিযুক্ত কর্মকর্তা, কর্মচারীদের কোনো ধরণের শাস্তির
ব্যবস্থা না করে নকল বাটার ব্যবহারের বিষয়টি মিডিয়ার না
ছাপানোর চেষ্টা করে যাচ্ছে।
এ বিষয়ে ফুলকলির ব্রেড অ্যান্ড বিস্কুট ইন্ডাস্ট্রিজ
লিমিটেডের পরিচালক ইকবাল উদ্দিন বলেন, বিষয়টি আসলে
দু:খজনক। তবে ফুলকলির ব্রেড অ্যান্ড বিস্কুট ইন্ডাস্ট্রিজ
লিমিটেডের বিষয়গুলো আমাদের কফিল সাহেব দেখেন। তাই
বিষয়টি নিয়ে আমার মন্তব্য করা ঠিক হবে না। বিষয়টি নিয়ে
পরিচালক কফিল উদ্দীনের কাছে ফোন দেওয়া হলে বন্ধ পাওয়া
যায়।
ক্রেতা-ভোক্তাদের স্বার্থ সংরক্ষণকারী জাতীয় প্রতিষ্ঠান
কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) এর
কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি এসএম নাজের হোসাইন সিভয়েসকে বলেন,
আমাদের দেশের ব্যবসায়ীদের অতিরিক্ত মুনাফা আদায়ের
প্রবণতা সবচেয়ে বেশি। আমি কিছুদিন আগে বাজারে গিয়েছি
কলা কেনার জন্য। তখন লক্ষ্য করি পচা কলাগুলো বিক্রেতা একটি
ঝুড়িতে সংরক্ষণ করছেন। এগুলো ফেলে না দিয়ে সংরক্ষণ করার
কারণ জানতে ওই বিক্রেতা জানায়, পচা কলাগুলোর কাস্টমার
আরও বেশি। এগুলো বিভিন্ন বেকারি ও ব্রেড কোম্পানিগুলো
নিয়ে যায়। মান যেমন হোক না কেন? যত সস্তায় পাওয়া যায়
সেটায় ব্যবসায়ীরা ব্যবহার করছেন। যার কারণে প্রতিনিয়ত
জনস্বাস্থ্য হুমকির মুখে রয়েছে। মালিকপক্ষ কর্মচারীদের উপর
দোষ দিয়ে পার পান । আবার এসব পণ্যের মান নিয়ন্ত্রণে
দায়িত্বে বিএসটিআইয়ের যতটুকু দায়িত্বপালন করা দরকার, ততটুকু
করছে না। ফলে এমন অবস্থার তৈরি হচ্ছে। ফুলকলির মত
প্রতিষ্ঠান থেকে এমন কোনো কিছু কখনও কাম্য নয় বলে মন্তব্য
করেন তিনি।
বিষয়টি নিয়ে চট্টগ্রাম বিএসটিআই এর উপ-পরিচালক নুরুল আমিন
সিভয়েসকে বলেন, আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখছি, যদি সত্যতা
পাওয়া যায় তাহলে অব্শ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শুক্রবার, ১৭ মে, ২০১৯

ছোটদের চড়া

নোটন নোটন পায়রাগুলি
ঝোটন বেঁধেছে
ওপারেতে ছেলেমেয়ে
নাইতে নেমেছে।
দুই ধারে দুই রুই কাতলা
ভেসে উঠেছে
কে দেখেছে কে দেখেছে
দাদা দেখেছে
দাদার হাতে কলম ছিল
ছুঁড়ে মেরেছে
উঃ বড্ড লেগেছে।

এম. জুবায়ের এর নামের বিষয়ে এনসাইক্লোপিডিয়াতে কী লেখা আছে...

"এম. জুবায়ের আহমদ" সদা হাস্যজ্জল ছেলেটা নিজেকে কখনো অসাধারণ ভাবে না।
 সে নিজেকে সব সময় সাধারণ মানুষের মত
জীবন যাপন করতে চায়।আসলে ভিতরে ও বাহিরে উভয় দিক
থেকেই ছেলেটা সৎ ও সুন্দর মনের মানুষ।
তার মধ্যে রয়েছে এক বন্য দিক যা কেবল তার উত্তম বন্ধু-বান্ধব দেখতে পান।
তিনি হচ্ছেন সদয়, শ্রদ্বাশীল,
বুদ্বিমান এক কথায় তিনি সাধারণ এর চাইতে অসাধারণ।
যদিও তিনি নিজেকে সাধারণ ভাবেন কখনোই
সাধারণ না কারণ তার এই গুনে তিনি অসাধারণ গুণের অধিকারী ব্যক্তি। সব
 সময় নিজে হাসি খুশিতে থাকতে
চান এবং অন্য কে ও চান সব সময় হাসি খুশি রাখতে।তার সাথে সব সময়
আপনারা অসাধারণ সময় পার করতে
পারবেন।যদি আপনারা এম. জুবায়ের এর বন্ধু-বান্ধব হয়ে থাকেন
তাহলে আপনারাই হচ্ছেন জগতের সব চেয়ে
ভাগ্য-প্রশন্ন মানুষ।

আজীবন থাকবেন বাঙালির হ্রদয়ে

শেখ মুজিবুর রহমান (১৭ মার্চ ১৯২০ - ১৫ আগস্ট ১৯৭৫)
বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি ও ভারতীয় উপমহাদেশের একজন
অন্যতম প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব যিনি বাঙালীর
অধিকার রক্ষায় ব্রিটিশ ভারত থেকে ভারত বিভাজন আন্দোলন
এবং পরবর্তীতে পূর্ব পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার
সংগ্রামে নেতৃত্ব প্রদান করেন। প্রাচীন বাঙ্গালি সভ্যতার
আধুনিক স্থপতি হিসাবে শেখ মুজিবুর রহমানকে বাংলাদেশের
জাতির জনক বা জাতির পিতা বলা হয়ে থাকে। তিনি মাওলানা
আব্দুল হামিদ খান ভাসানী প্রতিষ্ঠিত আওয়ামী লীগের সভাপতি,
বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি এবং পরবর্তীতে এদেশের
প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। জনসাধারণের কাছে তিনি
শেখ মুজিব এবং শেখ সাহেব হিসাবে বেশি পরিচিত এবং তার
উপাধি বঙ্গবন্ধু । তার কন্যা শেখ হাসিনা বাংলাদেশ আওয়ামী
লীগের বর্তমান সভানেত্রী এবং বাংলাদেশের বর্তমান
প্রধানমন্ত্রী ।

হাট্টিমাটিম টিম সম্পূর্ণ ছড়া.…...

টাট্টুকে আজ আনতে দিলাম
বাজার থেকে শিম
মনের ভুলে আনল কিনে
মস্ত একটা ডিম।
বলল এটা ফ্রি পেয়েছে
নেয়নি কোনো দাম
ফুটলে বাঘের ছা বেরোবে
করবে ঘরের কাম।
সন্ধ্যা সকাল যখন দেখো
দিচ্ছে ডিমে তা
ডিম ফুটে আজ বের হয়েছে
লম্বা দুটো পা।
উল্টে দিয়ে পানির কলস
উল্টে দিয়ে হাড়ি
আজব দু'পা বেড়ায় ঘুরে
গাঁয়ের যত বাড়ি।
সপ্তা বাদে ডিমের থেকে
বের হল দুই হাত
কুপি জ্বালায় দিনের শেষে
যখন নামে রাত।
উঠোন ঝাড়ে বাসন মাজে
করে ঘরের কাম
দেখলে সবাই রেগে মরে
বলে এবার থাম।
চোখ না থাকায় এ দুর্গতি
ডিমের কি দোষ ভাই
উঠোন ঝেড়ে ময়লা ধুলায়
ঘর করে বোঝাই।
বাসন মেজে সামলে রাখে
ময়লা ফেলার ভাঁড়ে
কাণ্ড দেখে টাট্টু বারি
নিজের মাথায় মারে।
শিঙের দেখা মিলল ডিমে
মাস খানিকের মাঝে
কেমনতর ডিম তা নিয়ে
বসলো বিচার সাঁঝে।
গাঁয়ের মোড়ল পান চিবিয়ে
বলল বিচার শেষ
এই গাঁয়ে ডিম আর রবে না
তবেই হবে বেশ।
মনের দুখে ঘর ছেড়ে ডিম
চলল একা হেঁটে
গাছের সাথে ধাক্কা খেয়ে
ডিম গেলো হায় ফেটে
গাঁয়ের মানুষ একসাথে সব;
সবাই ভয়ে হিম
ডিম ফেটে যা বের হল তা
হাট্টিমাটিম টিম।
হাট্টিমাটিম টিম-
তারা মাঠে পারে ডিম
তাদের খাড়া দুটো শিং
তারা হাট্টিমাটিম টিম

বৃহস্পতিবার, ১৬ মে, ২০১৯

ঘুম পাড়ানি মাসি পিসি

ঘুম পাড়ানি মাসি-পিসি
মোদের বাড়ি এসো,
খাট নাই পালং নাই
খোকার চোখে বসো।
বাটা ভরে পান দিবো
গাল ভরে খেয়ো,
খোকার চোখে ঘুম নাই
ঘুম দিয়ে যেয়ো।

আয় আয় চাঁদ মামা

আয় আয় চাঁদ মামা
টিপ দিয়ে যা,
চাঁদের কপালে চাঁদ
টিপ দিয়ে যা।
মাছ কাঁটলে মুড়ো দিব,
ধান ভাংলে কুড়ো দিব,
কালো গরুর দুধ দিব,
দুধ খাবার বাটি দিব
চাঁদের কপালে চাঁদ
টিপ দিয়ে যা।

আমাদের গ্রাম







বন্দে আলী মিঞা
আমাদের গ্রাম

আমাদের ছোটো গাঁয়ে ছোটো ছোটো ঘর
থাকি সেথা সবে মিলে কেহ নাহি পর।
পাড়ার সকল ছেলে মোরা ভাই ভাই
একসাথে খেলি আর পাঠশালে যাই।
হিংসা ও মারামারি কভু নাহি করি,
পিতা-মাতা গুরুজনে সদা মোরা ডরি।
আমাদের ছোটো গ্রামে মায়ের সমান,
আলো দিয়ে বায়ু দিয়ে বাঁচাইছে প্রাণ।
মাঠভরা ধান আর জলভরা দিঘি,
চাঁদের কিরণ লেগে করে ঝিকিমিকি।
আমগাছ জামগাছ বাঁশ ঝাড় যেন,
মিলে মিশে আছে ওরা আত্মীয় হেন।
সকালে সোনার রবি পূব দিকে ওঠে
পাখি ডাকে, বায়ু বয়, নানা ফুল ফোটে।

বিশ্বাস নামক শব্দটা.....

 প্রতিটি সম্পর্ক স্থায়ীত্ব  লাভ করে  বিশ্বাস নামক শব্দ দ্বারা। এই বিশ্বাস এর উপর ভর করে পিতা  তুলে দেন উনার  আদরের মেয়ে রাজকণ্যাকে   অচেনা অজানা এক মানুষের সাথে, তারা ও এই বিশ্বাসের উপর ভর করে কাটিয়ে দেয় জীবনের বাকি অংশ।

এই বিশ্বাস নামক শব্দের উপর ভর করে জীবনের তাগিদে স্ত্রী থেকে অনেক দূর প্রভাসে থাকতে হয় স্বামীকে , কাটিয়ে দেয় জীবনের গুরুত্ব কিছু মুহূর্ত হারিয়ে ফেলে জীবনের সেরা একটা সময়।

এই বিশ্বাসের উপর ভর করে মেয়েটি রক্তের সম্পর্ক ত্যাগ করে কখনো পালিয়ে যায় প্রিয়জনের সাথে ছেলেটি ও বিশ্বাস করে হাতটি ধরে মজবুত করে।

এই বিশ্বাস এর উপর ভর করে শুন্যপথের আকাশপথ পাড়ি দিতে হয় দূর থেকে দূরান্তর।

এই রকম হাজারো বাস্তব কাহিনী প্রতিনিয়ত আমাদের চারপাশে  ঘটে যায় শুধু বিশ্বাস নামক শব্দের কারণে।

ভালোলাগা, ভালোবাসা এগুলো প্রতিটি মানুষের মাঝে এক সময় হয়ে থাকে, বলতে পারো এখানে ও দু,জন বিশ্বাস করে একে অন্যকে মন আদান -প্রধান করে।

বিশ্বাসের উপর ভর করেই তিলে তিলে গড়ে উটে  একটা অচেনা অজানা মানুষের মধুর সম্পর্ক।

জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে বিশ্বাস নিয়ে সামনে এগুলে আপনি ও সেখানে কৃতকার্য হবেন।বিশ্বাস রাখুন নিজের প্রতি, বিশ্বাস রাখুন প্রিয়জনের প্রতি।

কখনো এমন কোন কাজ করো না যেখানে আপনার একটু মান -অভিমানে অন্য একজনের তিলে তিলে গড়ে তোলা বিশ্বাসে আঘাত করে।আপনার দেখাতে, জানাতে,শোনাতে ও ভুল হতে পারে এর জন্য যেনো বলি না হয় অন্য কারো জীবনের শেষ স্বপ্ন।

‘হায়েনায় ছাড়ে না, আমিও ছাড়ি না’

  ব্যথা ভুলিয়ে রাখতে সাইফকে মুঠোফোনে ভিডিও দেখাচ্ছেন মা-বাবাছবি: মানসুরা হোসাইন হাসপাতালের বিছানায় দুই বছর তিন মাস বয়সী সাইফের বাঁ হাতে ক্যা...