শনিবার, ১৮ মে, ২০১৯

ছাত্র রাজনীতি করেছি, কখনো পদ নিয়ে চিন্তা করিনি : প্রধানমন্ত্রী

ভি এল জি ডেস্কঃ-
স্কুল জীবন থেকে রাজনীতিতে জড়িত
হলেও কখনো পদ চাননি, পদ নিয়ে চিন্তা করেননি বলে
জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ
হাসিনা।
বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে
আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে
শুক্রবার (১৭ মে) গণভবনে শুভেচ্ছা বিনিময়কালে একথা জানান
তিনি।
কখনো পদ নিয়ে চিন্তা না করার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী
শেখ হাসিনা বলেন, স্কুল জীবন থেকেই রাজনীতির সঙ্গে জড়িত
ছিলাম। তারপর কলেজে গিয়ে.. তারপর ইউনিভার্সিটিতে তখনো
ছাত্রলীগেরই সদস্য ছিলাম। আমার রাজনীতি ছাত্র রাজনীতি
থেকেই শুরু। তবে কখনো কোনো বড় পোস্টে ছিলাম না, পোস্ট
চাইওনি কখনো।
তিনি বলেন, যখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ি তখন ঢাকা
বিশ্ববিদ্যালয় কমিটির একজন সদস্য ছিলাম। কখনো পদ নিয়ে
চিন্তা করিনি, পদ চাইওনি। আমরা পদ সৃষ্টি করে এবং সবাইকে
পদে বসানো এই দায়িত্বটাই পালন করতাম।
১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সপরিবারে বঙ্গবন্ধু নিহত হওয়ার পর
বিদেশে নির্বাসিত অবস্থায় আওয়ামী লীগের সভাপতি
নির্বাচিত হওয়ার কথা উল্লেখ করে বঙ্গবন্ধু কন্যা বলেন, ৭৫ এর
এত বড় দায়িত্ব আমাকে নিতে হবে এটা কখনো আমি ভাবিনি,
চাইওনি, এটা চিন্তাও ছিল না।
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ দলটির শীর্ষ
নেতারা প্রধানমন্ত্রীকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। এছাড়া
স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে আওয়ামী লীগের সহযোগী
সংগঠনের শীর্ষ নেতারাও প্রধানমন্ত্রীকে ফুলেল শুভেচ্ছা
জানান।
১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা সপরিবারে নিহত হওয়ার পর
বেশ কয়েক বছর বিদেশে নির্বাসিত থেকে ১৯৮১ সালের আজকের
এই দিনে দেশে ফিরে আসেন বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা দেশে
ফিরে আসেন। দেশে ফিরে আসার আগে বিদেশে থাকা অবস্থায়
তিনি আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হন। এরপর
থেকে তিনি টানা ৩৮ বছর বাংলাদেশের প্রাচীনতম রাজনৈতিক
সংগঠনের আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে
আসছেন।
৯৬ সালের আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর এক টার্ম ও ২০০৯
সালে সরকার গঠনের পর থেকে টানা তিনবার মিলিয়ে
বাংলাদেশে ইতিহাসে ৪ টার্ম প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন
করছেন শেখ হাসিনা।



সৌজন্যে ঃ-  বাংলানিউজ২৪

নকল বাটার দিয়ে তৈরী হয় ফুলকলির পণ্য

বিভিন্ন বেনামি প্রতিষ্ঠান থেকে ‘নিম্নমানের নকল বাটার’
কিনে তা দিয়ে তৈরি হয় ফুলকলি ব্রেড অ্যান্ড বিস্কুট
ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের পণ্য। দীর্ঘদিন এ ‘নিম্নমানের নকল
বাটার’ দিয়ে তৈরি হয়ে আসছে ফুলকলির পণ্য। প্রতিষ্ঠানের
কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ম্যানেজ করে মো. লিটন নামে এক
ব্যক্তি এসব ‘নিম্নমানের নকল বাটার’ সরবরাহ করে
আসছিলেন ফুলকলিসহ বিভিন্ন ব্র্যান্ডের খাদ্যপণ্য তৈরির
প্রতিষ্ঠানে। সিভয়েসের অনুসন্ধানে উঠে এসেছে এমন সব
চাঞ্চল্যকর তথ্য।
‘নিম্নমানের নকল বাটার’ তৈরির বিষয়টি সিভয়েসের কাছে
স্বীকারও করেছেন ফুলকলি ব্রেড অ্যান্ড বিস্কুট ইন্ডাস্ট্রিজ
লিমিটেডের জেনারেল ম্যানেজার এমএ সবুর।
তবে এমএ সবুর দাবি করেছেন
কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ফুলকলিতে ‘নিম্নমানের নকল
বাটার’ সরবরাহের অভিযোগ উঠায় তাদের কাছ থেকে বাটার ও
ঘি কেনা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
সিভয়েসের অনুসন্ধানে উঠে আসে কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের নাম
যেসব প্রতিষ্ঠান ফুলকলিতে বাটার ও ঘি সরবরাহ করতেন। এসব
প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে ঢাকার মিরপুর পল্লবী এলাকার শাহী
ট্রেডার্স, চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জের আলম এন্টারপ্রাইজ, ঢাকার
দেওয়ানপাড়া মাটিকাটা এলাকার খান এন্টারপ্রাইজ। ভিন্ন
ভিন্ন নাম ও ঠিকানা হলেও এসব প্রতিষ্ঠানের মালিক মো. লিটন
নামে এক ব্যক্তি। লিটনের সহযোগী মো. মামুন নামে আরেক
ব্যক্তি নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় এসব নকল বাটার ফ্লেভারসসহ আরও
কয়েকটি ব্র্যান্ডের প্রতিষ্ঠানে সরবরাহ করেন। মো. মামুনও এসব
বিষয় স্বীকার করেন।
মো. মামুন বলেন, ‘ফুলকলি এখন আর আমাদের কাছ থেকে পণ্য নেয়
না। তারা বিলও আটকে রেখেছে।’
এদিকে ফুলকলি কর্তৃপক্ষ বিষয়টি জানার পরেও কোনো ব্যবস্থা
নেয়নি। উল্টো এ ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার জন্য চেষ্টা করছে।
অভিযুক্ত কর্মকর্তা, কর্মচারীদের কোনো ধরণের শাস্তির
ব্যবস্থা না করে নকল বাটার ব্যবহারের বিষয়টি মিডিয়ার না
ছাপানোর চেষ্টা করে যাচ্ছে।
এ বিষয়ে ফুলকলির ব্রেড অ্যান্ড বিস্কুট ইন্ডাস্ট্রিজ
লিমিটেডের পরিচালক ইকবাল উদ্দিন বলেন, বিষয়টি আসলে
দু:খজনক। তবে ফুলকলির ব্রেড অ্যান্ড বিস্কুট ইন্ডাস্ট্রিজ
লিমিটেডের বিষয়গুলো আমাদের কফিল সাহেব দেখেন। তাই
বিষয়টি নিয়ে আমার মন্তব্য করা ঠিক হবে না। বিষয়টি নিয়ে
পরিচালক কফিল উদ্দীনের কাছে ফোন দেওয়া হলে বন্ধ পাওয়া
যায়।
ক্রেতা-ভোক্তাদের স্বার্থ সংরক্ষণকারী জাতীয় প্রতিষ্ঠান
কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) এর
কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি এসএম নাজের হোসাইন সিভয়েসকে বলেন,
আমাদের দেশের ব্যবসায়ীদের অতিরিক্ত মুনাফা আদায়ের
প্রবণতা সবচেয়ে বেশি। আমি কিছুদিন আগে বাজারে গিয়েছি
কলা কেনার জন্য। তখন লক্ষ্য করি পচা কলাগুলো বিক্রেতা একটি
ঝুড়িতে সংরক্ষণ করছেন। এগুলো ফেলে না দিয়ে সংরক্ষণ করার
কারণ জানতে ওই বিক্রেতা জানায়, পচা কলাগুলোর কাস্টমার
আরও বেশি। এগুলো বিভিন্ন বেকারি ও ব্রেড কোম্পানিগুলো
নিয়ে যায়। মান যেমন হোক না কেন? যত সস্তায় পাওয়া যায়
সেটায় ব্যবসায়ীরা ব্যবহার করছেন। যার কারণে প্রতিনিয়ত
জনস্বাস্থ্য হুমকির মুখে রয়েছে। মালিকপক্ষ কর্মচারীদের উপর
দোষ দিয়ে পার পান । আবার এসব পণ্যের মান নিয়ন্ত্রণে
দায়িত্বে বিএসটিআইয়ের যতটুকু দায়িত্বপালন করা দরকার, ততটুকু
করছে না। ফলে এমন অবস্থার তৈরি হচ্ছে। ফুলকলির মত
প্রতিষ্ঠান থেকে এমন কোনো কিছু কখনও কাম্য নয় বলে মন্তব্য
করেন তিনি।
বিষয়টি নিয়ে চট্টগ্রাম বিএসটিআই এর উপ-পরিচালক নুরুল আমিন
সিভয়েসকে বলেন, আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখছি, যদি সত্যতা
পাওয়া যায় তাহলে অব্শ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শুক্রবার, ১৭ মে, ২০১৯

ছোটদের চড়া

নোটন নোটন পায়রাগুলি
ঝোটন বেঁধেছে
ওপারেতে ছেলেমেয়ে
নাইতে নেমেছে।
দুই ধারে দুই রুই কাতলা
ভেসে উঠেছে
কে দেখেছে কে দেখেছে
দাদা দেখেছে
দাদার হাতে কলম ছিল
ছুঁড়ে মেরেছে
উঃ বড্ড লেগেছে।

এম. জুবায়ের এর নামের বিষয়ে এনসাইক্লোপিডিয়াতে কী লেখা আছে...

"এম. জুবায়ের আহমদ" সদা হাস্যজ্জল ছেলেটা নিজেকে কখনো অসাধারণ ভাবে না।
 সে নিজেকে সব সময় সাধারণ মানুষের মত
জীবন যাপন করতে চায়।আসলে ভিতরে ও বাহিরে উভয় দিক
থেকেই ছেলেটা সৎ ও সুন্দর মনের মানুষ।
তার মধ্যে রয়েছে এক বন্য দিক যা কেবল তার উত্তম বন্ধু-বান্ধব দেখতে পান।
তিনি হচ্ছেন সদয়, শ্রদ্বাশীল,
বুদ্বিমান এক কথায় তিনি সাধারণ এর চাইতে অসাধারণ।
যদিও তিনি নিজেকে সাধারণ ভাবেন কখনোই
সাধারণ না কারণ তার এই গুনে তিনি অসাধারণ গুণের অধিকারী ব্যক্তি। সব
 সময় নিজে হাসি খুশিতে থাকতে
চান এবং অন্য কে ও চান সব সময় হাসি খুশি রাখতে।তার সাথে সব সময়
আপনারা অসাধারণ সময় পার করতে
পারবেন।যদি আপনারা এম. জুবায়ের এর বন্ধু-বান্ধব হয়ে থাকেন
তাহলে আপনারাই হচ্ছেন জগতের সব চেয়ে
ভাগ্য-প্রশন্ন মানুষ।

আজীবন থাকবেন বাঙালির হ্রদয়ে

শেখ মুজিবুর রহমান (১৭ মার্চ ১৯২০ - ১৫ আগস্ট ১৯৭৫)
বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি ও ভারতীয় উপমহাদেশের একজন
অন্যতম প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব যিনি বাঙালীর
অধিকার রক্ষায় ব্রিটিশ ভারত থেকে ভারত বিভাজন আন্দোলন
এবং পরবর্তীতে পূর্ব পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার
সংগ্রামে নেতৃত্ব প্রদান করেন। প্রাচীন বাঙ্গালি সভ্যতার
আধুনিক স্থপতি হিসাবে শেখ মুজিবুর রহমানকে বাংলাদেশের
জাতির জনক বা জাতির পিতা বলা হয়ে থাকে। তিনি মাওলানা
আব্দুল হামিদ খান ভাসানী প্রতিষ্ঠিত আওয়ামী লীগের সভাপতি,
বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি এবং পরবর্তীতে এদেশের
প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। জনসাধারণের কাছে তিনি
শেখ মুজিব এবং শেখ সাহেব হিসাবে বেশি পরিচিত এবং তার
উপাধি বঙ্গবন্ধু । তার কন্যা শেখ হাসিনা বাংলাদেশ আওয়ামী
লীগের বর্তমান সভানেত্রী এবং বাংলাদেশের বর্তমান
প্রধানমন্ত্রী ।

হাট্টিমাটিম টিম সম্পূর্ণ ছড়া.…...

টাট্টুকে আজ আনতে দিলাম
বাজার থেকে শিম
মনের ভুলে আনল কিনে
মস্ত একটা ডিম।
বলল এটা ফ্রি পেয়েছে
নেয়নি কোনো দাম
ফুটলে বাঘের ছা বেরোবে
করবে ঘরের কাম।
সন্ধ্যা সকাল যখন দেখো
দিচ্ছে ডিমে তা
ডিম ফুটে আজ বের হয়েছে
লম্বা দুটো পা।
উল্টে দিয়ে পানির কলস
উল্টে দিয়ে হাড়ি
আজব দু'পা বেড়ায় ঘুরে
গাঁয়ের যত বাড়ি।
সপ্তা বাদে ডিমের থেকে
বের হল দুই হাত
কুপি জ্বালায় দিনের শেষে
যখন নামে রাত।
উঠোন ঝাড়ে বাসন মাজে
করে ঘরের কাম
দেখলে সবাই রেগে মরে
বলে এবার থাম।
চোখ না থাকায় এ দুর্গতি
ডিমের কি দোষ ভাই
উঠোন ঝেড়ে ময়লা ধুলায়
ঘর করে বোঝাই।
বাসন মেজে সামলে রাখে
ময়লা ফেলার ভাঁড়ে
কাণ্ড দেখে টাট্টু বারি
নিজের মাথায় মারে।
শিঙের দেখা মিলল ডিমে
মাস খানিকের মাঝে
কেমনতর ডিম তা নিয়ে
বসলো বিচার সাঁঝে।
গাঁয়ের মোড়ল পান চিবিয়ে
বলল বিচার শেষ
এই গাঁয়ে ডিম আর রবে না
তবেই হবে বেশ।
মনের দুখে ঘর ছেড়ে ডিম
চলল একা হেঁটে
গাছের সাথে ধাক্কা খেয়ে
ডিম গেলো হায় ফেটে
গাঁয়ের মানুষ একসাথে সব;
সবাই ভয়ে হিম
ডিম ফেটে যা বের হল তা
হাট্টিমাটিম টিম।
হাট্টিমাটিম টিম-
তারা মাঠে পারে ডিম
তাদের খাড়া দুটো শিং
তারা হাট্টিমাটিম টিম

বৃহস্পতিবার, ১৬ মে, ২০১৯

ঘুম পাড়ানি মাসি পিসি

ঘুম পাড়ানি মাসি-পিসি
মোদের বাড়ি এসো,
খাট নাই পালং নাই
খোকার চোখে বসো।
বাটা ভরে পান দিবো
গাল ভরে খেয়ো,
খোকার চোখে ঘুম নাই
ঘুম দিয়ে যেয়ো।

আয় আয় চাঁদ মামা

আয় আয় চাঁদ মামা
টিপ দিয়ে যা,
চাঁদের কপালে চাঁদ
টিপ দিয়ে যা।
মাছ কাঁটলে মুড়ো দিব,
ধান ভাংলে কুড়ো দিব,
কালো গরুর দুধ দিব,
দুধ খাবার বাটি দিব
চাঁদের কপালে চাঁদ
টিপ দিয়ে যা।

আমাদের গ্রাম







বন্দে আলী মিঞা
আমাদের গ্রাম

আমাদের ছোটো গাঁয়ে ছোটো ছোটো ঘর
থাকি সেথা সবে মিলে কেহ নাহি পর।
পাড়ার সকল ছেলে মোরা ভাই ভাই
একসাথে খেলি আর পাঠশালে যাই।
হিংসা ও মারামারি কভু নাহি করি,
পিতা-মাতা গুরুজনে সদা মোরা ডরি।
আমাদের ছোটো গ্রামে মায়ের সমান,
আলো দিয়ে বায়ু দিয়ে বাঁচাইছে প্রাণ।
মাঠভরা ধান আর জলভরা দিঘি,
চাঁদের কিরণ লেগে করে ঝিকিমিকি।
আমগাছ জামগাছ বাঁশ ঝাড় যেন,
মিলে মিশে আছে ওরা আত্মীয় হেন।
সকালে সোনার রবি পূব দিকে ওঠে
পাখি ডাকে, বায়ু বয়, নানা ফুল ফোটে।

বিশ্বাস নামক শব্দটা.....

 প্রতিটি সম্পর্ক স্থায়ীত্ব  লাভ করে  বিশ্বাস নামক শব্দ দ্বারা। এই বিশ্বাস এর উপর ভর করে পিতা  তুলে দেন উনার  আদরের মেয়ে রাজকণ্যাকে   অচেনা অজানা এক মানুষের সাথে, তারা ও এই বিশ্বাসের উপর ভর করে কাটিয়ে দেয় জীবনের বাকি অংশ।

এই বিশ্বাস নামক শব্দের উপর ভর করে জীবনের তাগিদে স্ত্রী থেকে অনেক দূর প্রভাসে থাকতে হয় স্বামীকে , কাটিয়ে দেয় জীবনের গুরুত্ব কিছু মুহূর্ত হারিয়ে ফেলে জীবনের সেরা একটা সময়।

এই বিশ্বাসের উপর ভর করে মেয়েটি রক্তের সম্পর্ক ত্যাগ করে কখনো পালিয়ে যায় প্রিয়জনের সাথে ছেলেটি ও বিশ্বাস করে হাতটি ধরে মজবুত করে।

এই বিশ্বাস এর উপর ভর করে শুন্যপথের আকাশপথ পাড়ি দিতে হয় দূর থেকে দূরান্তর।

এই রকম হাজারো বাস্তব কাহিনী প্রতিনিয়ত আমাদের চারপাশে  ঘটে যায় শুধু বিশ্বাস নামক শব্দের কারণে।

ভালোলাগা, ভালোবাসা এগুলো প্রতিটি মানুষের মাঝে এক সময় হয়ে থাকে, বলতে পারো এখানে ও দু,জন বিশ্বাস করে একে অন্যকে মন আদান -প্রধান করে।

বিশ্বাসের উপর ভর করেই তিলে তিলে গড়ে উটে  একটা অচেনা অজানা মানুষের মধুর সম্পর্ক।

জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে বিশ্বাস নিয়ে সামনে এগুলে আপনি ও সেখানে কৃতকার্য হবেন।বিশ্বাস রাখুন নিজের প্রতি, বিশ্বাস রাখুন প্রিয়জনের প্রতি।

কখনো এমন কোন কাজ করো না যেখানে আপনার একটু মান -অভিমানে অন্য একজনের তিলে তিলে গড়ে তোলা বিশ্বাসে আঘাত করে।আপনার দেখাতে, জানাতে,শোনাতে ও ভুল হতে পারে এর জন্য যেনো বলি না হয় অন্য কারো জীবনের শেষ স্বপ্ন।

কয়েক মিনিটে পালাবে তেলাপোকা, জেনে নিন জাদুকরী উপায


রান্নাঘর, বাথরুম বা বারান্দার নানা কোণে তেলাপোকার
উপদ্রব দেখতে পাওয়া যায়। তেলাপোকা মূলত বর্জ্য-আবর্জনায়
থাকে। তাই জীবাণু বয়ে বেড়াতে ওস্তাদ। এর পর ঘরের নানা
প্রান্তে ঘুরে বেড়ায়, কখনও খাবার-দাবারের উপর। এতে এর
গায়ে থাকা জীবাণুও ছড়িয়ে পড়ে ঘরে।
তেলাপোকামুক্ত ঘর পেতে বাজারচলতি নানা রাসায়নিক
স্প্রে-র উপর নির্ভর করেন অনেকেই। কিন্তু সে সব
রাসায়নিকেরও কিছু ক্ষতিকর দিক আছে। কিছু ঘরোয়া উপায়
মানলে ঘর থেকে তেলাপোকাকে সরানো যায় দ্রুত।
তেজপাতা- সব চেয়ে সহজ ও সস্তা উপায়ে তেলাপোকা
তাড়াতে এর চেয়ে ভাল পদ্ধতি আর নেই। সপ্তাহে কয়েক দিন
তেজপাতার গুঁড়ো ছড়িয়ে দিন ঘরের আনাচে কানাচে, এর গন্ধ
তেলাপোকা সহ্য করতে পারে না।
বেকিং সোডার সঙ্গে মেশান মধু বা চিনি। মিষ্টির সঙ্গে
মিশিয়ে তা ছড়িয়ে দিতে পারেন ঘরে। মিষ্টির গন্ধে
তেলাপোকা সেই খাবারে আকৃষ্ট হবে ও বেকিং সোডার
প্রকোপে মারাও পড়বে।
বোরিক পাউডারের সঙ্গে আটা বা ময়দার গুঁড়ো মিশিয়ে
ছড়িয়ে দিন ঘরের চারপাশে। মারা পড়বে তেলাপোকা।
ঘর মোছার জলে কয়েক ফোঁটা লেবুর রস দিয়ে ঘর মুছুন, আপনার
ঘর হবে পোকামাকড়মুক্ত। তেলাপোকা তাড়াতেও একই টোটকা
ব্যবহার করতে পারেন।
বোরিক অ্যাসিডের সঙ্গে চিনি মিশিয়ে সেই মিশ্রণ ব্যবহার
করুন। এতে শুধু তেলাপোকা নয়, পালাবে যেকোনও পোকামাকড়।
চিনির টানে তেলাপোকা আসবে আর বোরিক অ্যাসিডের মতো
বিষের সংস্পর্শে এলেই মরবে।
একচামচ গোলমরিচ, কিছুটা রসুন আর অর্ধেক পেঁয়াজ বেটে
তাতে এক লিটার পানি মেশান। সাবান পানিও মেশাতে পারেন
এতে। এবার রান্নাঘর ও বাথরুমে ছিটিয়ে দিন ওই মিশ্রণ।
চাইলে ঘর মোছার জন্যও ব্যবহার করতে পারেন। তেলাপোকা
এই মিশ্রণের গন্ধ সহ্য করতে পারবে না। আর পালাবে আপনার
বাড়ি ছেড়ে।কয়েক মিনিটে পালাবে তেলাপোকা, জেনে নিন
জাদুকরী উপায়
তেলাপোকা মানেই একটি বিরক্তিকর প্রাণী। যা দেখলে মন-
মেজাজ খারাপ হয়ে যায়। কিছু কীট-পতঙ্গ আমাদের চিন্তার
অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়ায়। যা মধ্যে একটি তেলাপোকা।
রান্নাঘর, বাথরুম বা বারান্দার নানা কোণে তেলাপোকার
উপস্থিতি দেখতে পাওয়া যায়। গ্রীষ্মকাল পরতেই বারের
তেলাপোকার উপদ্রব।
তেলাপোকা মূলত বর্জ্য-আবর্জনায় থাকে। তাই জীবাণু বয়ে
বেড়াতে ওস্তাদ। এর পর ঘরের নানা প্রান্তে ঘুরে বেড়ায়,
কখনও খাবার-দাবারের উপর। এতে এর গায়ে থাকা জীবাণুও
ছড়িয়ে পড়ে ঘরে।
তেলাপোকামুক্ত ঘর পেতে বাজারচলতি নানা রাসায়নিক
স্প্রে-র উপর নির্ভর করেন অনেকেই। কিন্তু সে সব
রাসায়নিকেরও কিছু ক্ষতিকর দিক আছে। কিছু ঘরোয়া উপায়
মানলে ঘর থেকে তেলাপোকাকে সরানো যায় দ্রুত।
তেজপাতা- সব চেয়ে সহজ ও সস্তা উপায়ে তেলাপোকা
তাড়াতে এর চেয়ে ভাল পদ্ধতি আর নেই। সপ্তাহে কয়েক দিন
তেজপাতার গুঁড়ো ছড়িয়ে দিন ঘরের আনাচে কানাচে, এর গন্ধ
তেলাপোকা সহ্য করতে পারে না।
বেকিং সোডার সঙ্গে মেশান মধু বা চিনি। মিষ্টির সঙ্গে
মিশিয়ে তা ছড়িয়ে দিতে পারেন ঘরে। মিষ্টির গন্ধে
তেলাপোকা সেই খাবারে আকৃষ্ট হবে ও বেকিং সোডার
প্রকোপে মারাও পড়বে।
বোরিক পাউডারের সঙ্গে আটা বা ময়দার গুঁড়ো মিশিয়ে
ছড়িয়ে দিন ঘরের চারপাশে। মারা পড়বে তেলাপোকা।
ঘর মোছার জলে কয়েক ফোঁটা লেবুর রস দিয়ে ঘর মুছুন, আপনার
ঘর হবে পোকামাকড়মুক্ত। তেলাপোকা তাড়াতেও একই টোটকা
ব্যবহার করতে পারেন।
বোরিক অ্যাসিডের সঙ্গে চিনি মিশিয়ে সেই মিশ্রণ ব্যবহার
করুন। এতে শুধু তেলাপোকা নয়, পালাবে যেকোনও পোকামাকড়।
চিনির টানে তেলাপোকা আসবে আর বোরিক অ্যাসিডের মতো
বিষের সংস্পর্শে এলেই মরবে।
একচামচ গোলমরিচ, কিছুটা রসুন আর অর্ধেক পেঁয়াজ বেটে
তাতে এক লিটার জল মেশান। সাবান জলও মেশাতে পারেন
এতে। এবার রান্নাঘর ও বাথরুমে ছিটিয়ে দিন ওই মিশ্রণ।
চাইলে ঘর মোছার জন্যও ব্যবহার করতে পারেন। তেলাপোকা
এই মিশ্রণের গন্ধ সহ্য করতে পারবে না। আর পালাবে আপনার
বাড়ি ছেড়ে।

‘হায়েনায় ছাড়ে না, আমিও ছাড়ি না’

  ব্যথা ভুলিয়ে রাখতে সাইফকে মুঠোফোনে ভিডিও দেখাচ্ছেন মা-বাবাছবি: মানসুরা হোসাইন হাসপাতালের বিছানায় দুই বছর তিন মাস বয়সী সাইফের বাঁ হাতে ক্যা...